রাসুল আমার আল্লাহ’র দোস্ত, আখেরি নবী... কে বলতে পারবেন গানটা শুনেননি। এমন লোক খুঁজে পেতে একটু মুশকিলই হবে। হ্যাঁ ইসলামি সঙ্গীত শিল্পী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গীত এটি। কত শুনেছি, মাদরাসার অনুষ্ঠানগুলোতে গেয়েছি তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু তখন সত্যিই জানতাম না এই গানের শিল্পী শ্রদ্ধেয় মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এমনকি আজ সাক্ষাৎকার নেয়ার পূর্বেও। ভালোবাসাটা যেন দরাম করে বেড়ে গেল কয়েকগুণ।
আবুল কালাম আজাদ। বাংলাদেশে ইসলামি সঙ্গীতের পথিকৃৎদের একজন। যদিও এখন গানে দেখা যায় না তাকে। নেমেছেন পুরোদস্তুর ওয়াজের মাঠে। কিন্তু এক সময় দাপুটে পদচারণা ছিল তার। টেপ রেকর্ডারে তার গজলই প্রাধান্য পেত। সঙ্গীতের এই গুণি মানুষকে আমরা ক’জন চিনি? ক’জন জানি তার মনের ইচ্ছে আর কথাকল্পগুলো। আসুন জেনে নেয়া যাক সেসবের কিছু অংশ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রোকন রাইয়ান
আওয়ার ইসলাম: কখন থেকে ইসলামি সঙ্গীত গাইতে শুরু করেন?
আবুল কালাম আজাদ: যোগ্যতা এবং প্রতিভা আল্লাহ প্রদত্ত ব্যাপার, হয়ত কেউ তা বিকশিত করার সুযোগ পায় আর কেউ পায় না। ছাত্র জীবনের শুরু থেকেই নানা ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম। তবে আনুষ্ঠানিক মঞ্চে ১৯৯২ সনের ১৮ সেপ্টেম্বর রমনা গ্রীনে ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে ইসলামি সংগীত পর্বে আমার সঙ্গে সেদিন সহযোগী শিল্পী ছিলেন বিশিষ্ট উপস্থাপক শাহ ইফতেখার তারিক এবং নোয়াখালী বেগমগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল মাঠে চরমোনাইর মরহুম শায়খ সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম রহ. এর নির্দেশে সর্বপ্রথম ইসলামি গজল পরিবেশন করি।
আওয়ার ইসলাম: কিভাবে বুঝলেন আপনার কণ্ঠে ভালো সুর আছে, শিল্পে আপনি ভালো করবেন?
আবুল কালাম আজাদ: আমি কখনো ভাল করবো এমন চিন্তা নিয়ে সংগীত পরিবেশন করিনি বা লেখিনি, আমার চিন্তা এবং লক্ষ্য কেউ শুনুক কিংবা না শুনুক আমি হকের আওয়াজ ও দাওয়াত শুনিয়েই যাবো। কখনোই আমি সংস্কৃতিকে বাণিজ্যিক ভাবে গ্রহণ বা গুরু হওয়ার চিন্তা লালন করিনি।
আওয়ার ইসলাম: ইসলামি সঙ্গীত গাওয়ার শুরুর জীবনে বড় কোনো ঘটনা রয়েছে?
আবুল কালাম আজাদ: শ্রেষ্ঠ পুরস্কার হিসেবে