মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বাদ জোহর গাজীপুর জেলার শ্রীপুর, মির্জাবাড়ীতে একটি মাদরাসা ও মসজিদের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দারুল উলুম দেওবন্দের বিশিষ্ট মুহাদ্দিস আল্লামা আরশাদ মাদানী গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ার ইসলামের বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তফা ওয়াদুদ। তার পুরো বয়ানটি অনুবাদ করেছেন তিনি। প্রকাশ হলো আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য।
নাহমাদুহু ওয়ানুসাল্লিআলা রাসূলিহীল কারীম। যখন মানুষ মারা যায় তখন তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল বাকী থাকে। এক. সদকায়ে জারিয়াহ। দুই. নেক আমল। তিন. নেক সন্তান।
মূলত আজকের দিনটি একটি দোয়ার দিন। আমরা এই মসজিদ ও মাদরাসার জন্য দোয়া করার উদ্দশ্যে এসেছি । মসজিদ ও মাদরাসা আবাদকারীদের জন্য আমরা সবাই দোয়া করবো। যাতে এই মসজিদ মাদরাসা আল্লাহ তায়ালা চিরদিন টিকিয়ে রাখেন।
আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেনো এ মসজিদকে ছহী তরিকায় আবাদ করেন। আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো মানুষকে দুনিয়াতে প্রেরণ করেন। যখন কোনো মানুষের সৃষ্টি হয়। তখন তার রিযিক দিয়েই তাকে সৃষ্টি করা হয়। তার নাম পঞ্চাশ হাজার বছর আগে লিপিবদ্ধ করে দেয়া হয়ে। সে কি দুনিয়াতে ধনী হয়ে জীবন-যাপন করবে? নাকি ফকীর হয়ে জীবন-যাপন করবে?
দেখা যায় পৃথিবীতে কেউ অনেক টাকার মালিক। আবার কেউ পথের পথিক। আল্লাহ কাউকে কোটি কোটি টাকার মালিক বানিয়ে দেন। আবার কাউকে ফকীর বানিয়ে দেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, দুনিয়া হলো পরীক্ষার জায়গা।
সুতরাং দুনিয়ার সবকিছুতেই পরীক্ষা করা হয়। কাউকে ধনী বানিয়ে পরীক্ষা করা হয়। আবার কাউকে ফকীর বানিয়ে পরীক্ষা করা হয়। কারো দ্বারা ভালো কাজ করিয়ে পরীক্ষা করা হয়। আল্লাহ তায়ালা দেখেন যে আমার বান্দা কি আমার সন্তুষ্টির জন্য ভালো কাজ করেছে নাকি মানুষকে দেখানোর জন্য করেছে।
সে কি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে নাকি মানুষের শুকরিয়া করে। যদি কোনো বদনসীব বা কোনো বদবখত মনে করে যে আমি এই কাজ করেছি।
মানুষ আমাকে ভালো বলবে। মোটকথা যে মানুষের সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে। সে হলো দূর্ভাগা। হতভাগা। বরং সদা সর্বদা মনে করতে হবে এটা আল্লাহর তৌফিক। মানুষ ভুলে যায় এটা যে আল্লাহর অনুগ্রহ। তার উপর আল্লাহর দয়া। সেটা সে বেমালুম ভুলে যায়।
পৃথিবীর কোনো মানুষ কখনো সফল হতে পারবে না। যদি না তার সাথে আল্লাহর তৌফিক না থাকে। আর যদি মানুষের সাথে আল্লাহর তৌফিক থাà¦