মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮


জানালার ওপাশে ঘুমন্ত সিংহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| ড. শায়খ মাহমুদুল হাসান ||

পেছনের জানালা দিয়ে এক চিলতে ভোরের রোদ ও ঝিরঝির বাতাস ছিল—নিত্যদিনের ‘সু-প্রভাত’ উপহার। ‘দারে জাদীদ’ ছাত্রাবাসের পেছনে অন্য কোনো ভবন তখনও গজায়নি। তাই মিষ্টি বাতাসের আনাগোনা ছিল বেশ সাবলীল। গ্রীষ্মের তাবদাহে সে কোমল বাতাস ছিল অদ্ভুত মৃদুল ও প্রশান্তির।

দোতলার এ রুমটি বেশ বড়সড়। চৌদ্দজনের মতো ছাত্রের সিট ছিল এ প্রশস্ত কক্ষে। পুরো ভবনে ছিল সুদীর্ঘ করিডোর। রুমের সামনের জানালা থেকে দেখা যেত সামনের ভবনটি—মাত্র কয়েক গজ দূরে। আমাদের রুমের বরাবর সে ভবনের দোতলার রুমটি ছিল স্টুডিও ফ্ল্যাটের মতো। একটি বেলকনি ছিল, দু’টি কক্ষ ছিল।

১৯৮৮-৯০ হাটহাজারীতে আমার অবস্থানের সময়। আমি সে রুমের দিকে প্রতিদিন অপলক তাকিয়ে থাকতাম। বেলকনির দরজা তিনি প্রায় নিজে খুলতেন। সেখানে চেয়ার কিংবা খাটে বসতেন। নিরিবিলি একা একা ভাবতেন। প্রশান্ত চেহারা। আভিজাত্যে ভরা স্নিগ্ধ হাসি। শুভ্র শশ্রুমণ্ডিত। গায়ে হাফ হাতা গেঞ্জি। সাদা লুঙ্গি। শ্রুভ্রতা ও স্নিগ্ধতার অপূর্ব খেলা। ‘উম্মুল মাদারিস’-এর কান্ডারি। কিন্তু তার কক্ষে দেখা যেত না অযাচিত কোলাহল। প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল না। নিরিবিলি থাকা ছিল তাঁর প্রিয়। বড় বড় কিতাব নাড়াচাড়া করতেন। নামাজের সময় শান্ত পদক্ষেপে দোতলার করিডোর ধরে মসজিদের উপর তলায় যেতেন। ব্যস্ত তবে শান্ত-সৌম্য ও স্থির। তাঁর পাঠদান, বক্তব্য ও দারসে ছিল নিপুণ শৈলী। কথা বলার ভঙ্গি ও গতিতে ছিল ভিন্ন তরঙ্গ।

 

দুই.

১৯৮৬ সনে হাটহাজারির মসনদে তাঁর আগমন ছিল উচ্ছ্বাস ও আবেগের ঝড় তোলা ঘটনা। আমরা বার/তের বছরের কিশোরেরাও তখন সে ঝড় অনুভব করেছি। প্রাক্তন মুহতামিম হযরত মাওলানা হামিদ সাহেব (রহ.)-এর জানাযায় মেখল মাদ্রাসা থেকে এসে যুক্ত হয়েছিলাম। তাঁর বিদায়ের শোক ও আল্লামা আহমদ শফী (রহ.)-এর উদয়ের আনন্দের মিশ্রতা এখনো আমার কৈশোর মনে প্রোজ্জ্বল হয়ে আছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বছরে বার্ষিক সভা ও ওলামা সম্মেলনের স্মৃতি এবং প্রথিতযশা বিজ্ঞ আলেমদের হাটহাজারীতে উপস্থিতি মনে পড়ছে। ওলামা সম্মেলনে ছাত্রদের প্রবেশের সুযোগ ছিল না। কিন্তু তাঁরা কী আলোচনা করছেন—তা শোনার জন্য উঁকিঝুঁকি দিয়েছিলাম, তা মনে পড়ছে। ছাত্র-রাজনীতি নিয়ে বিস্তর বিতর্কের উত্তাপ মজলিসে ছিল তা অনুভব করেছিলাম। মাদরাসা-অঙ্গনে কেন ছাত্ররা ইসলামি রাজনীতিতে জড়াবে না—তার পক্ষে-বিপক্ষে চলছিল তীব্র যুক্তি বর্ষণ ও দালিলিক যুদ্ধ। উপসংহার কী ছিল জানি না। তবে তিনি পুরো অঙ্গনের অভিভাবক হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন—সে ইঙ্গিত ছিল তাঁর এ আয়োজনে।

আজ দীর্ঘ কয়েক যুগ পর আমার কৈশোরের আর্কাইভে প্রবেশ করছি এবং খুঁজতে চেষ্টা করছি— একজন কিশোরের মানসপটে আঁকা আশির দশকের শেষ ভাগে আল্লামা আহমদ শফির ভাবমূর্তি। সেখানে তিনি হলেন- দেয়ালের চৌহদ্দিতে থেকেও উদার। চিন্তাশীল ও সময়ের চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে সচেতন। কোনো কোনো মাহফিলে তিনি শুদ্ধ বাংলায় বয়ান করতেন। আধুনিক কিছু বিষয়ের অবতারণা করতেন। তখন চালু হওয়া ভোরের কিন্ডার গার্টেন সম্পর্কে তিনি সচেতন করতেন এবং বাংলার ঐতিহ্য সকালের ‘মক্তব’ শিক্ষার জন্য বড় হুমকি মনে করতেন। সূক্ষ্মচালে এর মাধ্যমে ইসলামি শিক্ষার গতি রোধ করার প্রবণতা হিসেবে তিনি উপস্থাপন করতেন। মেয়েদের সহশিক্ষার বিরুদ্ধে তাঁর কণ্ঠ ছিল সদা উচ্চকিত ও বলিষ্ঠ। নাস্তিকতার বিপক্ষে তিনি যুক্তি উপস্থাপন করতেন সুতীব্রভাবে। ‘সত্যের সন্ধানে’ শিরোনামে ছোট্ট একটি পুস্তিকা তিনি রচনা করেছিলেন, যেখানে নাস্তিক্যবাদী চিন্তাকে সহজভাবে খণ্ডন করেছিলেন—একজন কিশোর যা পড়ে আন্দোলিত হয়েছিল। ১৯৮৭ সালে মেখল মাদরাসার বার্ষিক সভায় তিনি কবি আল্লামা ইকবালের অসংখ্য পঙক্তি সুর করে উদ্ধৃত করে চমকপ্রদ বয়ান করেছিলেন। যুগের আধুনিক নানা ইস্যুতে তিনি সুন্দর করে ব্যখ্যা করেছিলেন। অবশ্য তাঁর পরপর মুফতি আহমাদুল হক্ব (রহ.) মঞ্চে উঠে কবিতাভিত্তিক বয়ান হযরত মুফতি ফয়জুল্লাহ (রহ.)-এর আদর্শ ও তাঁর কর্মপন্থা পরিপন্থি বলে পরোক্ষ সমালোচনা করেছিলেন।

 

তিন.

আশির দশকের শেষের দিকে আমরা যে হাটহাজারী মাদরাসাকে চিনি—তা ছিল কিতাবের জ্ঞানে পণ্ডিত সৃষ্টিকারী এক উৎপাদনকেন্দ্র। প্রাচীন যুক্তিবিদ্যা (মানতিক) ও দর্শন (মধ্যযুগের গ্রীক দর্শন)-র ক্ল্যাসিক কিতাবের শিক্ষা ও পাঠদান ব্যবস্থাপনা ছিল এ প্রতিষ্ঠানের অনন্য বৈশিষ্ট্য। কিতাবের আঁকে-বাঁকে বিচরণ করে পরিতৃপ্ত হতো এখানকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ‘মাইবুজি’, ‘কাজিখাঁ’, ‘সদরা’, ‘মোল্লা হাসান’, ‘তাওজিহ’-সহ বেশ দুর্বোধ্য কিতাব পড়ার সুযোগ হয়েছিল এখানে। হযরত মুহতামিম সাহেব (রহ.) একদিন ছাত্রদের উদ্দেশ্যে গর্ব করে বলেছিলেন, এখনো হাটহাজারীতে এমন ঐতিহ্যমণ্ডিত কিতাব পড়ানো হয়—যা দেওবন্দেও নেই।

সমালোচকদের দৃষ্টিতে হাটহাজারীর গতিপথ ছিল সমাজ-রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন—যেখানে জাতির মাতৃভাষাও ছিল বেশ উপেক্ষিত। অধিকাংশ শিক্ষকমণ্ডলী আঞ্চলিকতার সুর-টানবিহীন বাংলাভাষায় কথাও বলতে পারতেন না। বাংলা যেন তাঁদের কাছে বিদেশি কোনো ভাষা। এখানে উর্দু ও ‘চাটগাঁ’-র আঞ্চলিক ভাষা ছিল পাঠদানের প্রধান মাধ্যম। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ছাত্রদের আঞ্চলিক ভাষা বুঝতে বড়ই বেকায়দায় পড়তে হতো। তবে বেশ কসরত করে তারা তা আয়ত্ব করত। কিন্তু শুদ্ধ ও আঞ্চলিকতার সংমিশ্রণে তা হতো এক হাস্যকর প্রদার্থ। এখানে পত্রিকা পড়া ছিল—কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমনকি মাসিক মদিনার মতো নিরীহ ধর্মীয় ম্যাগাজিনও হাতে থাকলে বাঁকা চোখের চাহনির শিকার হতে হতো। মাওলানা কাছেম (রহ.) তখন ছাত্রাবাসের সুপার ছিলেন—কত ছাত্রকে গোয়েন্দাদের গোপন রিপোর্টের ভিত্তিতে বাইরে কোনো রেস্টুরেন্টে বসে সংবাদপত্র ছোঁয়ার (!) গুরুতর অপরাধে তিনি তিরস্কার করেছিলেন, তার হিসাব নেই। পরিস্থিতি যখন এত স্পর্শকাতর, বাংলা যখন এত অস্পৃশ্য ও অচ্ছুৎ—তখন হাটহাজারী থেকে ‘মঈনুল ইসলাম’ নামে একটি মাসিক বাংলা ম্যাগাজিন প্রকাশের সিদ্ধান্ত ছিল আল্লামা আহমদ শফি (রহ.)-এর যুগান্তকারী সাহসী উদ্যোগ।

বাংলা জানেন এমন কিছু শিক্ষককে তিনি নিয়োগ দিয়েছিলেন। আল্লামা সাজেদুর রহমান সাহেব (বি-বাড়িয়া) ছিলেন তাঁদের অন্যতম। তাঁকে ঘিরে আমরা কিছু তরুণ আরবী চর্চা ও বাংলা পাঠ শুরু করেছিলাম। সপ্তাহান্তে আয়োজন হতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তাতে থাকত আরবী কথোপকথন, কবিতা আবৃত্তি ও বাংলা বক্তৃতা। একটি পর্যায়ে এ উদ্যোগটি মুখ থুবড়ে পড়তে বসেছিল—সিনিয়র কোনো কোনো শিক্ষকের আপত্তিতে। কিন্তু আল্লামা আহমদ শফির পৃষ্ঠপোষকতায় তা আবার মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছিল। তিনি মসজিদে সকলের সম্মুখে সে আয়োজনের অনুমতি দিয়েছিলেন। অবশ্য মাওলানা সাজেদ সাহেব কাতার চলে যাওয়ায় তা আবার স্থবির হয়ে পড়েছিল। সে সময়ের একটি বাংলা বিতর্ক অনুষ্ঠান বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। সেখানে আমার মুখ্য আলোচনা-উপস্থাপন ছিল। বিষয় ছিল ‘জন্মনিয়ন্ত্রণ: ইসলাম প্রেক্ষিত’।

 

চার.

দিনের পর দিন আমি দূর থেকে হযরতকে দেখেছি। তাঁর স্বল্পভাষিতা, স্থিরতা, গাম্ভীর্য ও স্নিগ্ধতা আমাকে বেশ মোহিত করেছে। কারও কারও সমালোচনায় তাঁর ধীরগতি, আপোষকামিতা ও ভীরুতার কথা উঠে আসত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তা সুস্পষ্ট হয়েছে। আসলে তা ভীরুতা বা দুর্বলতা ছিল না। বরং তা ছিল ‘সাবধানতা’।

আমি ‘হেদায়া আখীরাইন’ শেষে চলে এসেছিলাম বাসায়। একটি ‘গ্যাপ ইয়ারে’ সরকারি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। হযরত মাওলানা কবীর সাহেবের উৎসাহে আবার দাওরা পড়ার জন্য দেওবন্দের পরিবর্তে হাটহাজারীতে ফিরে গিয়েছিলাম। তিনি মুহতামিম সাহেবকে আদ্যোপান্ত সব অবহিত করে আমাকে ভর্তির সুযোগ করে দিলেন। যেহেতু হাটহাজারী মাদরাসার নিয়মে সরকারি মাদরাসার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা যায় না—তাই আমি মাদরাসা থেকে বিরতি নিয়ে তবেই পরীক্ষা দিয়েছিলাম।

দাওরার ক্লাস শুরু হওয়ার পর কিছুদিনের ভেতরে বেনামী কিছু চিঠি এসেছিল। কেন আমাকে সরকারি পরীক্ষা দেওয়া সত্ত্বেও ভর্তি করা হলো—তা নিয়ে ‘আজেবাজে’ হুমকি দেওয়া হয়েছিল। চিঠি হাতে পেয়ে মাওলানা কবীর সাহেব মুহতামিম সাহেব হুজুরের সাথে পরামর্শ করে আমাকে পটিয়া মাদরাসায় স্থানান্তরিত হওয়ার উপদেশ দিলেন। তাতে আমি খুবই মনক্ষুণ্ন হয়েছিলাম। কিন্তু এতে ছিল আমার জন্য নতুন এক অধ্যায় আবিষ্কার করার সুযোগ। পটিয়া মাদরাসাকেন্দ্রিক নতুন আলো ও নতুন জগতের সন্ধান পেয়েছিলাম। হতে পারে তিনি আমাকে বিদায় দেওয়ার সময় যে দোয়া করেছিলেন, এটা ছিল তার বরকত। ফলে আমি আল্লামা হারুন ইসলামাবাদী (রহ.)-এর মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ পেয়েছি। যিনি আমাকে দাওরা সমাপ্তির সাথে সাথে পটিয়া মাদরাসার রীতি ভঙ্গ করে বিশাল এ বিদ্যাপীঠের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টাডির অনুমতি দিয়েছিলেন। যখন কওমি অঙ্গনে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছিল—এই সাহসী বীর আমাকে শান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি যাকে বুক দিই, কখনো তাকে পীঠ দিই না।’ আমি মিসরের আল-আজহারে অধ্যায়ন শেষে যখন দেশে ফিরে এলাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (আইআইইউসি) অধ্যাপনা করার পাশাপাশি পটিয়া মাদরাসায়ও খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছিলাম। আল্লামা ইসলামাবাদী (রহ.) এ সমন্বয়কে তাঁর দূরদর্শীতা দিয়ে মিশন হিসেবে নিয়েছিলেন। যদিও অনেক মুরুব্বি এটাকে ‘বিশেষ কোনো দলের প্রতিষ্ঠান’ মনে করে আমাকে ভুল বুঝেছিলেন।

 

পাঁচ.

আল্লামা আহমদ শফি (রহ.)-এর প্রচারবিমুখতা, নিয়ত-নিষ্ঠা, একাকী নীরব থাকার আগ্রহ, আধ্যাত্ম সাধনা ও ইলমী নিমগ্নতা—সবকিছু মিলে তাঁকে মনে হতো আমার জানালার ওপাশে খাঁচাবদ্ধ ‘ঘুমন্ত সিংহ’। যখন জেগে উঠবে জগৎ কেঁপে উঠবে তাঁর হুঙ্কারে। বাস্তবে তাই হয়েছিল। ২০১৩ সনে ‘গণ জাগরণ মঞ্চ’ যে বাংলাদেশে সৃষ্টি করেছিল— হঠাৎ জেগে উঠা এ সিংহের হুঙ্কার সেটা আমূল পাল্টে দেয়। ধর্মহীনতা ও নাস্তিকতার জোয়ারের বিপরীতে তিনি ধার্মিকতা ও পবিত্রতার নতুন জাগরণ সৃষ্টি করেছিলেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি নগর-মহানগর থেকে গ্রামগঞ্জ— সব পথ ও অলি-গলি কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন। যার মাদরাসায় সংবাদপত্রের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল, সে মাদরাসা-ই হয়ে গেল সকল দেশি-বিদেশি সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনাম। শাহবাগের বিপরীতে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন— ‘শাপলা চত্বর’। তাঁর একটি ‘খোলা চিঠি’ মুহূর্তে পাল্টে দেয় সকল দৃশ্যপট। তিনি হয়েছিলেন ‘খোলা চিঠি’র বিপ্লবী মহানায়ক। মন্ত্রীসভা ও জাতীয় সংসদ থেকে সকল সভা-সমাবেশ, টক শো এবং প্রবন্ধ-নিবন্ধ তাঁকে ঘিরে সরব হয়ে উঠেছিল। তিনি যখন পৃথিবী ছেড়ে গেলেন মনে হল তিনি ছিলেন জাতির মুকুটবিহীন সম্রাট।

লেখক: ব্রিটেন প্রবাসী বিশিষ্ট স্কলার ও দাঈ

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ