এখন থেকে যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত অনেকেই আলিয়া মাদরাসা শিক্ষাধারায় প্রাইভেটভাবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। এখন থেকে যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে নিয়মিত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত অনেকেই আলিয়া মাদরাসা শিক্ষাধারায় প্রাইভেটভাবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে ড. মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসার শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের সেমিনার কক্ষে সচিবের সভাপতিত্বে আজ এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাদরাসায় প্রাইভেট পরীক্ষার সুযোগ দানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ইসলামী শিক্ষা লাভের সুযোগকে অবারিত করে দিতে হবে এবং এবার তা হবে ইনশাআল্লাহ। মাদরাসাসায় প্রাইভেট শিক্ষার্থীরা (যেকোনো বয়সের) দাখিল পরীক্ষা দিতে পারবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনিবার্য কারণে যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে পারেননি, ছোটবেলায় পড়াশোনা এবং দ্বীনি শিক্ষার তীব্র আগ্রহ থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে সম্ভব হয়ে ওঠেনি, তারা আলিয়া মাদরাসা শিক্ষা ধারায় প্রাইভেটভাবে পরীক্ষা দিতে পারবেন।’
ড. হেদায়েত উল্লাহ জানান, এখন থেকে হাফেজ, কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ শিক্ষা ধারায় অধ্যয়নরত বা অধ্যয়ন শেষ করা ব্যক্তিরাও যেকোনো বয়সে মাদরাসা শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে থিওলজির জ্ঞান অর্জনের পথ আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এই সিদ্ধান্তকে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ইসলামি শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এনএইচ/