বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সমাবেশ ও গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন চট্টগ্রাম প্রাইভেট মাদরাসা অ্যাসোসিয়েশনের ১০ দফা নির্দেশনা পাকিস্তানের শীর্ষ আলেম মাওলানা আজিজুর রহমান জালন্ধরীর ইন্তেকাল টেকসই নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জে ইসলামি দলগুলো মসজিদে নববীর কোরআন ও হাদিস শিক্ষার কার্যক্রম পরিদর্শনে মদিনার গভর্নর ‘জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে জমিয়তকে এগিয়ে আসতে হবে’ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী আল-আজহারে দারুল আরকামের ১৫ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ, সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জাপানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

মাত্র ১৩ মাসে হাফেজ জিহাদ, বেফাক হিফজ পরীক্ষায় সারাদেশে দ্বিতীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
হাফেজ জাবের আহমদ জিহাদ

মাত্র ১৩ মাস ৭ দিনে পুরো কোরআন শরীফ মুখস্থ করে তাক লাগানো কৃতিত্ব অর্জন করেছে ১১ বছর বয়সী জাবের আহমদ জিহাদ। বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) ৪৮তম কেন্দ্রীয় হিফজুল কোরআন পরীক্ষায় সে সারাদেশে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে।

জিহাদের সাফল্য এখানেই থেমে নেই। ইত্তেহাদুল মাদারিসিল কওমিয়া টাঙ্গাইল জেলার কেন্দ্রীয় হিফজ পরীক্ষায় সে প্রথম স্থান অধিকার করে। এছাড়া হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন আয়োজিত সখীপুর উপজেলার অনূর্ধ্ব ১০ হিফজ প্রতিযোগিতাতেও শীর্ষস্থান অর্জন করেছে সে।

গত ২২ এপ্রিল, মঙ্গলবার বিকেলে সখীপুরের এতিমখানা রোডে অবস্থিত মারকাজ মসজিদ সংলগ্ন মদিনাতুল উলূম মাদরাসায় কথা হয় ক্ষুদে এই হাফেজের সঙ্গে। কোরআনের তেলাওয়াতে তার কণ্ঠে ছিল হৃদয়ের ছোঁয়া—যা শুনে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই।

জিহাদ জানায়, তার এ সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তার মায়ের দুআ। বেফাক পরীক্ষার আগের রাতে তার মা সারা রাত ইবাদতে মশগুল ছিলেন, ছেলের জন্য দুআ করেছেন। ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু করতে চায় সে—দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামের আলো ছড়াতে চায় এই প্রতিভাবান শিশু।

জিহাদের বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন নোয়াখালীর মাইজদী থেকে এসে গত ১৭ বছর ধরে সখীপুরে বসবাস করছেন। একটি ছোট ব্যবসা চালিয়ে তিনি সংসার চালান। এক ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে জিহাদ সবার বড়। সন্তানের এমন অর্জনে তার চোখেমুখে গর্ব ও আনন্দের উচ্ছ্বাস।

তিনি বলেন, “আমি চাই জিহাদ আন্তর্জাতিক মানের হাফেজ ও আলেম হয়ে উঠুক। মদিনাতুল উলূম মাদরাসার প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিরলস পরিশ্রমে আজ আমার ছেলে এত বড় সাফল্য পেয়েছে। এই ঋণ কখনো শোধ হবে না।”

মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আবুবকর সিদ্দীক বলেন, “২০২২ সালে আমরা মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করি। এর মধ্যেই আমাদের ছাত্র সারাদেশে দ্বিতীয় হয়েছে—এটি আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ। আমরা এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আ/আ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ