সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষা ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধের দাবি ইসলামী আন্দোলন মহাসচিবের ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত ১ মজলিসে তাহাফ্ফুজে খতমে নবুওয়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি

মাদরাসা শিক্ষার মান, শিক্ষক-ত্যাগ এবং উচ্চশিক্ষায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। তিনি বলেছেন, সরকারি কোনো বেতন-ভাতা, পেনশন বা গ্র্যাচুইটির সুবিধা না পেয়েও মাদরাসার শিক্ষকরা নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন এবং মাদরাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা এখন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ভর্তি হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা হলরুমে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের মতো মাদরাসার শিক্ষকদের কোনো সরকারি বেতন, পেনশন বা গ্র্যাচুইটির ব্যবস্থা নেই। তবুও তারা দায়িত্ববোধ ও আমানতের জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। বিভিন্নভাবে সহযোগিতা এবং কোরআন শিক্ষাদানের মাধ্যমে সামান্য আয়ে তারা সংসার পরিচালনা করেন।

তিনি বলেন, আজকে মাদরাসাগুলোতে অত্যন্ত ভালো লেখাপড়া হয়। আপনারা অবাক হবেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী এখন মাদরাসা থেকে এসেছে। অথচ এসব প্রতিষ্ঠান সরকারের কোনো অনুদান পায় না।

আহমেদ আযম খান আরও বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং শিক্ষাদানকে নিজেদের নৈতিক দায়িত্ব ও আমানত হিসেবে মনে করেন। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই তারা সীমিত সামর্থ্য নিয়েও শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি দাবি করেন, বর্তমানে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদরাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে। এ বাস্তবতায় সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষকদের নিজেদের অবস্থান ও শিক্ষার মান উন্নয়নের বিষয়ে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটুসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

/আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ