ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাজার এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ভাঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ওষুধ এবং ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ওষুধ বিক্রির অপরাধে ঔষধ ও কসমেটিক আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫টি মামলা দায়ের করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সাদরুল আলম সিয়াম।
মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন, ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হাসান। অভিযানে ভাঙ্গা থানার পুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
এ সময় মামলাগুলোতে প্রায় অর্ধলক্ষ (মোট ৪৩ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে তাদেরকে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাঙ্গা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ীর সভাপতির বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক জনকণ্ঠ ও দৈনিক সারাবেলা পত্রিকার সাংবাদিক মো. রফিকুল ইসলাম, দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ ও দৈনিক সময় বায়ান্ন পত্রিকার মো. সাখাওয়াত হোসেন, দৈনিক এই বাংলা ও নন্দিত আইপি টিভির সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক জাকারিয়া খান প্রমুখ। তার এমন আচরণে উপস্থিত সাধারণ জনগণ, সাংবাদিকগণ সহ সকলেই হতভম্ব হয়ে পড়েন।
অভিযান পরিচালনায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়, তারা হলেন- ভাঙ্গা বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী রায় ফার্মেসির মালিক শুভ রায়কে- ১০ হাজার টাকা, ন্যাশনাল মেডিকোর মালে সুব্রত রায়কে- ১০ হাজার টাকা, বৃষ্টি ফার্মেসির মালেক সিদ্দিকুর রহমানকে- ১০ হাজার টাকা, পদ্মা ড্রাগ হাউসের মালেক বিপুল চন্দ্র মালাকে- ৮ হাজার টাকা, একতা ফার্মেসির মালেককে ৫ হাজার টাকা।
আদায়কৃত জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জব্দ করা মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ ওষুধগুলো পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও মেয়াদোত্তীর্ণ, নিষিদ্ধ ও অননুমোদিত ওষুধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আইও/