শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে শেষ হবে: ট্রাম্প সমাজের অনাচার-দুর্নীতি দূর করতে আত্মশুদ্ধির বিকল্প নেই: পীর সাহেব বরুণা খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির আন্তর্জাতিক মহাসম্মেলন শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে প্রতারণা ও সাংঘর্ষিক: হেফাজত সিলেটে খেলাফত যুব মজলিসের জনশক্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা দক্ষিণের নতুন কমিটি মেহফিলে উলফাত: মানিকগঞ্জে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান জাতীয় তাফসীর পরিষদের মহাসচিব আইসিইউতে, রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ওমরাযাত্রীদের জন্য ৯ ভাষায় ৩৩ লাখের বেশি সচেতনতামূলক বার্তা সৌদির শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিবের উদ্বেগ

আধ্যাত্মিক বাদশার রাজকীয় বিদায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পাকিস্তানের প্রখ্যাত সুফি সাধক ও ইসলামি চিন্তাবিদ শায়খ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দীর দাফন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সম্পন্ন হয়েছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাবে তাঁর জানাজায় লাখ লাখ মুসল্লি অংশ নেন। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর বড় ছেলে মাওলানা হাবিবুল্লাহ নকশবন্দি।

পাকিস্তানের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এতো বড় জানাজা পাকিস্তান খুব কমই দেখেছে। কয়েক মাইলজুড়ে মুসল্লিদের আনাগোনা ছিল। তিনি যেমন আধ্যাত্মিক জগতের বাদশা ছিলেন, তেমনি তাঁর বিদায়টিও ছিল রাজকীয়। পুরো পাকিস্তান থেকে আলেম-উলামা এই জানাজায় অংশ নেন। এমনকি মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও এই জানাজায় অংশ নেন।

শায়খ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী ১৯৫৩ সালের ১ এপ্রিল পাকিস্তানের ঝং জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নকশবন্দি তরিকার একজন প্রভাবশালী সুফি শায়খ ছিলেন। দেওবন্দি আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক ছিল। তিনি ইসলামি আধ্যাত্মিকতা ও আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পরিচিত ছিলেন।

তিনি ঝংয়ে মাহদুল ফাকির আল ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি তাজকিয়া, ইসলাহে নফস ও সুফি শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশে তাঁর অসংখ্য মুরিদ ও অনুসারী রয়েছেন।

জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে দাওয়াতি সফর করেছেন। দারুল উলুম দেওবন্দসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি প্রতিষ্ঠানে তিনি বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁর বক্তব্য ও নসিহত ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

তিনি একজন প্রথিতযশা লেখকও ছিলেন। ফিকহ, আত্মশুদ্ধি, পারিবারিক জীবন ও নারীদের ইসলামি ভূমিকা নিয়ে তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ মুসলিম সমাজে সমাদৃত।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ