বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৯ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফরিদপুর-২: প্রভাবশালী আলেম কতটা প্রভাব ফেলতে পারবেন ভোটের বাক্সে? আমাদের ওপর আঘাত এলে এবার পাল্টা আঘাত হবে, চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপির সারোয়ার ফরিদপুরে ডাকাতি, ২৪ ঘণ্টায় ৩ জন গ্রেফতার কাফনের কাপড় পরে আত্মঘাতী হামলায় স্বেচ্ছা অংশগ্রহণ কাতাইব হিজবুল্লাহর শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে ওমানের ওয়ার্ক ভিসা সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, অন্যান্য সম্পত্তি জব্দ ৩১ জানুয়ারি ঢাকায় জামায়াতের নারী সমাবেশ ময়মনসিংহে তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা টেকনাফে সীমান্তে আরাকান আর্মির ছোঁড়া গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত

গাজায় আগুন, রক্ত আর শিশুর কান্না, মানবতার পরাজয়ে কাঁদছে বিশ্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান

‎ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অব্যাহত বোমাবর্ষণে প্রতিদিন ঝরছে নিরপরাধ মানুষের রক্ত। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ঘরবাড়ি, হাসপাতাল, বিদ্যালয় ও মসজিদ। রক্তে ভিজে গেছে গাজার প্রতিটি গলি, শিশুর কান্না আজ আকাশ বিদীর্ণ করছে। অথচ তথাকথিত মানবাধিকার রক্ষাকারীরা আজ নির্বাকজাতিসংঘের নীরবতা যেন হত্যাযজ্ঞের নৈতিক অনুমোদন দিচ্ছে।

‎ইসরাইলের দখলদার বাহিনী যেভাবে নারী-শিশু ও বৃদ্ধদের ওপর বর্বরতা চালাচ্ছে, তা ইতিহাসের নৃশংসতম অধ্যায় হয়ে থাকবে। কিন্তু মুসলিম বিশ্বের শাসকরা আজও চুপ, কেউ কেউ নীরব সমর্থন দিয়ে এই জুলুমকে দীর্ঘায়িত করছে।

‎গাজায় প্রতিদিন যে রক্ত ঝরছে, তা শুধু ফিলিস্তিনের নয়, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর রক্তক্ষরণ। যারা আল্লাহর পথে দাঁড়িয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা ফিলিস্তিনের ভাই-বোনদের জন্য দো’আ, সহমর্মিতা ও প্রতিবাদের যে দায়িত্ব পালন করছি, তা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন ঐক্য, সাহস ও কর্মপ্রেরণায় উজ্জীবিত একটি মুসলিম বিশ্ব।”‎

‎আজ ফিলিস্তিনের শিশুরা আমাদের বিবেককে প্রশ্ন করছে—

‎‘যখন আমরা মরছিলাম, তোমরা তখন কোথায় ছিলে?’

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ