শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কবরের চারপাশে কি ফুলগাছ লাগানো যাবে? মুসলমানদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করার ষড়যন্ত্রকারীরা ভারতের শত্রু: মাহমুদ মাদানি ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৩৩  কবর যিয়ারত করতে সরাসরি কবরের সামনে যাওয়া কি জরুরি? কিশোরগঞ্জের বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আসআদুর রহমান কাসেমীর  ইন্তেকাল একজন জাতীয় অভিভাবক ড. ইয়াহইয়ার রহমান ‘বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করুন’ প্রয়োজনে ঢাকার রাজপথে সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: আমিরে মজলিস সারা আলি খানকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান ধর্মীয় নেতার  শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা বাস্তবায়নে পাশে থাকবে সরকার: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী 

সহজে তাকওয়া হাসিলের উপায়: হজরত ইবনে উমর রা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের।।

হজরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রাজিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি বলেন,لَا يَبْلُغُ الْعَبْدُ حَقِيقَةَ التَّقْوَى حَتَّى يَدَعَ ‌مَا ‌حَاكَ ‌فِي ‌الصَّدْرِ -অন্তরে যেসব সন্দেহে আসে তা ছাড়তে না পারলে কোনো বান্দা পরিপূর্ণ তাকওয়ার স্তরে পৌঁছতে পারবে না।

লেখক বলেন, এই উপদেশটি হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস শরিফ থেকে নেওয়া। হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় হালাল (বিষয়াবলি) সুস্পষ্ট। হারামও (বস্তুসমূহ) সুস্পষ্ট। হালাল-হারামের মাঝামাঝি হলো, সন্দেহযুক্ত বস্তু। যে সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ জানে না। অতএব যে সন্দেহযুক্ত জিনিসসমূহ থেকে বেঁচে থাকবে, সে তার দীন এবং ইজ্জতকে হেফাজত করতে পারবে। আর যে সন্দেহযুক্ত জিনিসের পিছনে পড়লো, সে মূলত হারামেই পতিত হয়ে গেলো।’

লেখক বলেন, সন্দেহযুক্ত বস্তু দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, যেসব বিষয়ে আলেমগণ হালাল না হারাম উভয় দিকে মতামত প্রদান করেছেন। তা পোশাক-পরিচ্ছেদে হতে পারে। খাবার-দাবারে হতে পারে। মানুষের জীবন যাপনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও হতে পারে। যারা প্রকৃত মুত্তাকি তাঁরা এসব থেকেও নিজেকে বাঁচিয়ে রাখেন।

এই বিষয়েই আরেকটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যা তোমার মধ্যে সন্দেহের উদ্রেক হয়, তা তুমি পরিহার করো। যা সন্দেহ নেই, তা গ্রহণ করো।’

লেখক বলেন, এই বিষয়ে আমাদের আসলাফ থেকেও উপদেশ বর্ণিত হয়েছে। তাকওয়ার উপরের স্তরে পৌঁছার জন্য তাঁরাও বিভিন্ন তরিকা বর্ণনা করেছেন। হজরত হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, ‘মুত্তাকিগণ হারামে লিপ্ত হয়ে যাওয়ার ভয়ে যতোদিন অনেক হালাল কাজ করা থেকে বিরত থাকবে, ততোদিন তাঁরা তাকওয়ার উপর থাকবে।’

হজরত সুফিয়ান বিন উয়ায়না রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, ‘বান্দা কখনো ঈমানের পরিপূর্ণে স্তরে পৌঁছতে পারবে না যতোক্ষণ না তার মাঝে এবং হারামের মধ্যে হালালকে পর্দা হিসাবে গ্রহণ না করবে। এবং গুনাহ এবং গুনাহের সাদৃশ্য এমনসব বস্তুকে পরিহার না করবে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ