শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ ।। ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৭ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
আলেমদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করছেন প্রধানমন্ত্রী ইন্তেকাল করেছেন দক্ষিণবঙ্গের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা জহুরুল হকের সহধর্মিনী  ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ১২৩০ নতুন গভর্নরের নিয়োগ বাতিলের দাবি টিআইবির বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ হাইকোর্টের জামায়াতে যোগদানের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন কবি মুহিব খান ইদ্রিস হত্যার বিচার দাবিতে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল রমজানের অবহেলিত আমলটির নাম ইতেকাফ: শায়খ আহমাদুল্লাহ দারুননাজাত একাডেমিতে ম্যাথ কার্নিভাল ও অলিম্পিয়াড ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় তাকওয়ার নীতি অনুসৃত না হলে কাঙ্ক্ষিত মুক্তি আসবে না’

নবীর স্ত্রী কাফের কেনো? হজরত থানবী রহ. যে উত্তর দিয়েছিলেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

আল্লামা থানবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলার কাছে একলোক প্রশ্ন করলো, হযরত! অনেক নবীদের স্ত্রী কাফের ছিলো এই বিষয়টি কী দোষণীয় নয়?

এই প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা থানবী রাহিমাহুল্লাহু তাআলা বললেন, দেখুন! আল্লাহ তাআলা নবীগণকে এমন দোষত্রুটি থেকেও পবিত্র রাখেন, যে দোষটি সামাজিকভাবে দোষ।

এর কারণ হলো, নবীগণের দায়িত্ব হলো, দীনের তাবলীগের কাজ। আর তাবলীগের কাজ লোকজনের উপর প্রভাব ফেলার জন্যে জরুরী হলো, মুবাল্লিগণের প্রতি লোকজনের মহত্ব ও বড়ত্ব ফুটে ওঠা।

লোকজনের অন্তরে তাঁদের সম্মান—মর্যাদা থাকা। আর এইসব গুণ সামাজিক যে দোষে নষ্ট হয়ে যায়, সামাজিক সেই দোষগুলোর মধ্যে একটি দোষ হলো, স্ত্রী বদমেজাযী হওয়া। ব্যভিচারী হওয়া। নির্ললজ্জ হওয়া। এই কারণে আল্লাহ তাআলা নবীগণকে এই সামাজিক দোষ থেকে হেফাজত করেছেন।

কোন নবীর স্ত্রী এই দোষে দোষী ছিলো না। তবে অনেক নবীর স্ত্রী যে কাফের ছিলো সেটি সামাজিকভাবে দোষের কিছুই ছিলো না। কারণ, তখন পরিবেশ ও সামাজিকভাবে কুফুরকে দোষের কিছু মনে করা হতো না। কারণ, তাদের কাছে ইসলাম গ্রহণ করাটা ছিলো পরিবেশ ও

সামাজিকভাবে দোষের। এই কারণে অনেক নবীর স্ত্রী কাফের ছিলো। সুতরাং নবীগণের স্ত্রী কাফের হওয়া সেটি তাবলীগের কাজের প্রতিবন্ধক ছিলো না। [মূলসূত্র: আল-ইফাজাতুল ইয়াওমিয়্যা: খন্ড—৯, পৃষ্ঠা—২১]

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ