বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই কোনো শ্রেণি বা গোষ্ঠীর নয়, এটি সর্বস্তরের মানুষের: ড. ইউনূস জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ভাতার আওতায় আসছেন আরও আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য সৌদির কাছে যে অনুরোধ করলেন মন্ত্রী আরিফুল হক আলেমরা স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে উঠেছেন: মাওলানা আরশাদ মাদানী আজ বাজারে আসছে আমিরে মজলিসের ‘জুলাই কেন আমাদের লড়াই?’ ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষে আহত ঢাকা আলিয়ার অধ্যক্ষ, মাথায় ১২ সেলাই হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতে জমিয়তের ‘ঐক্যের রূপরেখা’ হস্তান্তর ২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান

৫ কারণে দাম বেড়েছে ডিম ও মুরগির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রংপুরে ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে ৫ কারণে। খাদ্য- শ্রমিকের মৃল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুত সংকট, চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কম ও চিকিৎসা ঠিক মত দিতে না পারায় ডিম ও মুরগির দাম বেড়েইে চলছে। ফলে পোল্ট্রি শিল্পের সাথে জড়িত খামারীরা উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছেন না।

রংপুর পল্ট্রি মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলায় ডিম ও মাংস উৎপাদনের প্রান্তিক খামার রয়েছে প্রায় এক হাজার। ডিম উপাদনের প্রান্তিক খামার রয়েছে প্রায় ১০০ টি এবং মাংস উৎপাদনের খামার রয়েছে ৯০০ ওপর। এছাড়া ইন্ডস্টিয়াল খামার রয়েছে ৩/৪টি।

খামারীরা জানান, আগে একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হত ৫ টাকা ৭০ পয়সা। বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ৮ টাকা ৭০ পয়সা। খামারীরা পাইকারি পর্যায়ে ডিম বিক্রি করছেন ১০ টাকা ৭০ পয়সা। ভোক্তরা ডিম কিনছেন প্রতিপিস ১২ থেকে ১৩ টাকায়। এছাড়া আগে পাকিস্তানি কক মুরগির উৎপাদন খরচ ছিল ১৬০ টাকা।

বর্তমানে উৎপাদন খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ টাকা। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ ছিল ১১০ টাকা তা বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৬০ টাকা। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি পেয়ে ভোক্তা পর্যায়ে যেতে প্রতি কেজি মুরগির দাম গত কয়েকদিরে তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে।

এছাড়া ডিমের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। রংপুর জেলায় প্রতিদিন ডিমের চাহিদা রয়েছে ১৫ লাখ পিছ। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে ১০ লাখ পিছের কিছু ওপরে। এসব ডিমের মধ্যে প্রান্তিক খামারীরা উৎপাদন করছে ৩ লাখ পিছ এবং ইন্ডস্ট্রিয়াল পর্যায়ে উৎপাদন হচ্ছে ৭ লাখ পিছের বেশি।

জানাগেছে, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম, খাদ্য, শ্রমিক, বিদ্যুৎ সংকট ও চিকিৎসা সংকটের কারণে ডিম ও মুরগি উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছেন না খামরীরা। ফলে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। সেই সাথে দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিম ও মরগির দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়া ভোক্তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।

মানিকনগর এলাকার জিহাদ মিয়া জানান, আগে তাদের বাড়িতে প্রতিদিন ডিম লাগত ৬ পিছ। দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন তারা ৩/৪ পিছ ডিম দিয়ে প্রতিদিনের চাহিদা মিটাচ্ছেন।

আরেক ভোক্তা মফিজুল ইসলাম বলেন, খামারী ও ইন্ডাস্টিয়াল উৎপাদকারিরা যোগসাজস করে ডিম ও মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে জেলা পল্ট্রি শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা আকবর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আরমানুর রহমান লিংকন বলেন, গত এক বছরে মুরগির খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। চাহিদার চেয়ে উৎপাদন কমে যাওয়ায় ডিম এবং মুরগির দাম বেড়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ