শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

ভাতার আওতায় আসছেন আরও আড়াই লাখের বেশি ইমাম-মুয়াজ্জিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জায় কর্মরত মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় সেবাকর্মীকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাসিক সম্মানি ভাতা দেবে সরকার। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গঠিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সেলের সপ্তম সভায় এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য সেবাকর্মীদের জন্য মাসিক সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর অংশ হিসেবে প্রথম বছরেই দেশের মোট লক্ষ্যমাত্রার এক-চতুর্থাংশ উপকারভোগীকে এ ভাতা দেওয়া হবে।

তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদের ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৬৮ জন, ৩ হাজার মন্দিরের ৬ হাজার জন, ৭৫২টি বৌদ্ধবিহারের ১ হাজার ৫০৪ জন এবং ৩০১টি গির্জার ৬০২ জন ধর্মীয় সেবাকর্মী এ কর্মসূচির আওতায় সম্মানি পাবেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় সেবাকর্মীকে সম্মানি প্রদান করা হয়েছে।

যেভাবে মিলবে সম্মানি

সভায় জানানো হয়, মাসিক ভিত্তিতে—

ইমাম, পুরোহিত, বিহার অধ্যক্ষ ও যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা।

মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বিহার উপাধ্যক্ষ ও সহকারী যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা।

মসজিদের খাদেম পাবেন ২ হাজার টাকা।

এ ছাড়া প্রত্যেক উপকারভোগী বছরে ২ হাজার টাকা উৎসব ভাতা পাবেন। উপকারভোগীর চাহিদা অনুযায়ী মোবাইল ব্যাংকিং অথবা সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এ অর্থ পরিশোধ করা হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক এবং অর্থ বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ