বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে: স্পিকার ইসলামি বইমেলায় লিটলম্যাগ কর্নার না রাখায় ছাত্র জমিয়তের ক্ষোভ এমপিদের নম্বর হ্যাক করে টাকা দাবি, সতর্ক করলেন চিফ হুইপ ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের জন্য ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী মক্কা বিজয়—ক্ষমার সর্বশ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত র‌্যাব বিলুপ্ত, সংসদে নতুন বাহিনী ‘এসআরবি’ বিল পাস ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ‘ভারতের ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধি অংশ নেবে না’  যাচাই বাছাই ছাড়া সংবাদ সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে: হাবিবুর রশিদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জুমার দিন সুরা কাহাফের ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: আবু দারদা রা. হতে বর্ণিত,নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন
যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে (এবং তা পাঠ করবে) তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে হেফাজতে রাখা হবে। (মুসলিম)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে।

আর যে ব্যক্তি উহার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোন ক্ষতি কর`তে পারবে না। (দেখুনঃ সিলসিলায়ে সহীহা, হাদিস২৬৫১)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাত্রিতে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নূর হবে। ( সহিহ তারগিব ওয়াত্ তারহিব, হাদিস- ৭৩৬)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিনে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তী জুমআ পর্যন্ত আলোকময় হবে। (সহিহ তারগিব ওয়াত্ তারহিব, হাদিস ৭৩৬)

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ