বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ ।। ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৪ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাঙামাটিতে ৯৭ স্থানে পাহাড়ধস, ২ শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন আজ মাদরাসায় টিকটক ভিডিও তৈরি, হাটহাজারীর ৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দারুল মাআরিফ, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ‘নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগের নেতা যোগ দিলেন জামায়াতে ইসলামীতে আইনি লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ মরহুম গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ আবদুল আজিজের স্মৃতিচারণ করলেন শাইখ সুদাইস নারী প্রশিক্ষক নিয়োগ দেবে তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশন প্রাথমিকে নূরানী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদে আরবি ভাষা শিক্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে হাসানাহ ফাউন্ডেশন

জুমার দিন সুরা কাহাফের ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: আবু দারদা রা. হতে বর্ণিত,নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন
যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে (এবং তা পাঠ করবে) তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে হেফাজতে রাখা হবে। (মুসলিম)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নূর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করে দিবে।

আর যে ব্যক্তি উহার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোন ক্ষতি কর`তে পারবে না। (দেখুনঃ সিলসিলায়ে সহীহা, হাদিস২৬৫১)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাত্রিতে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নূর হবে। ( সহিহ তারগিব ওয়াত্ তারহিব, হাদিস- ৭৩৬)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিনে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তী জুমআ পর্যন্ত আলোকময় হবে। (সহিহ তারগিব ওয়াত্ তারহিব, হাদিস ৭৩৬)

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু আমল

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ