রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড

অনিবন্ধিত হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: যেসব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, দেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে প্রায় ১১ হাজার। এর মধ্যে অনেকগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যারা মানসম্মত সেবা দিতে পারছে না, তাদের সতর্ক করা হবে। কাউকে সময় বেঁধে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য খাতে স্বচ্ছতা আনার জন্য, মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার জন্য এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস ২০২২ পালন উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হিসেবে জাতীয় স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিদপ্তর। চলতি বছর ২ মে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি থাকায় সেদিন দিবসটি পালন করা সম্ভব হয়নি। তাই আজ দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাদের পাশাপাশি ৬৪ জেলার সিভিল সার্জন ও সব উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পরপর আমাদের হাসপাতালগুলোতে শয্যাসংখ্যা ছিল পাঁচ থেকে ছয় হাজার। এখন শয্যাসংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি। স্বাধীনতার সময় আমাদের মেডিকেল কলেজ ছিল আটটি। এখন ১১০টি। আগে কোনো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। এখন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পাঁচটি। এসব সম্ভব হয়েছে স্বাধীনতা অর্জনের কারণে।’

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ