বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

আকাবির-আসলাফদের কাছে আসরের পূর্বে চার রাকাত সুন্নত নামাজের গুরুত্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

আসরের নামাজের পূর্বে চার রাকাত সুন্নাতে জায়েদা পড়ার ফজিলত হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে। এই ফজিলতময় হাদীসের উপর যথারীতি পাবন্দির সাথে আমল করেন এমন মানুষের দেখা মেলা অনেক দায়।

যারা অবসরে থাকে তারাই তো পড়ে না। ব্যস্ত হলে তো কথাই নেই। কিন্তু কেমন ছিলেন পূর্বের রাজা বাদশা? কেমন ছিলো তাদের আমল? তা নীচের ঘটনা দ্বারা কিঞ্চিত আঁচ করা যায়।

খাজা কুতুবুদ্দীন কারি বখতিয়ার কাকি রহ. ইন্তিকালের পর তারই প্রিয় খাদিম আবু সাঈদ জানাজার নামাজের পূর্বে ঘোষণা করলেন। হজরত কারী রহ. আমাদেরকে ওসিয়ত করে গেছেন। তাঁর নামাজে জানাজা যেনো এমন লোক পড়ায় যে নিজ লজ্জাস্থান হেফাজত করেছে। যার তাকবীরে উলা কখনো ছুটেনি।

আসরের পূর্বে চার রাকাত সুন্নত কখনও কাজা হয়নি। সেখানে খাজা কারী রহ. এর বড় বড় খলিফারা উপস্থিত ছিলেন। তারা একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিলেন। কিন্তু কেউ সামনে এগুচ্ছিলেন না।

পলপল করে সময় যেতে লাগলো। কিন্তু কেউ সামনে আসলো না। এই অবস্থা দেখে তৎকালীন ভারতের বাদশা সুলতান শামসুদ্দীন আলতামাশ রহ. বললেন আমার ইচ্ছা ছিলো না আমার উক্ত আমল আমার জীবিত অবস্থায় দুনিয়ায় প্রকাশিত হোক। কিন্তু আমার শায়খ যেহেতু এটা প্রকাশ করতে ভালোবেসেছেন তো আর কী করা! এই কথা বলে তিনি সামনে এসে নামাজে জানাজার ইমামতি করলেন। এই ছিলো ওই যুগের রাজা-বাদশাহদের আমল। তাজকিরাতু খাজেগাঁ চাশত: ১৮৩

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ