বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই খুলে দেওয়া হবে হরমুজ: ট্রাম্প রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় রোববার তীব্র গরমের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল জাতীয়তাবাদী যুবদল

হজরত সুফয়ান সাওরী রহ এর পরকাল ভাবনা ও খোদাভীতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের

তিনি বলতেন, যদি আলেমগণই ফাসাদ সৃষ্টিকারী হয়ে যায়, তাহলে সংশোধনকারী কে হবে? আলেমগণের ফাসাদ হলো, দুনিয়ার দিকে ঝুকে পড়া৷ দুনিয়া কামানোর পিছনে পড়ে যাওয়া৷

তিনি বলতেন, যদি কেউ অন্যের কাছ থেকে ইলম না শিখে, শিক্ষাদান শুরু করে দেয়, তাহলে এই কাজ তার জন্য অপমান আর লাঞ্ছনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে৷

তিনি বলতেন, যদি এমন কারো সন্ধান পেতাম, যে শুধু আল্লাহ তায়ালাকে রাজিখুশি করার উদ্দেশ্যে ইলম হাসিল করতে ইচ্ছুক, তাহলে আমি নিজে তার বাড়ি গিয়ে গিয়ে ইলম শিখিয়ে আসতাম৷ কিন্তু বর্তমানে তো ইলম শিখার মাকসাদ মানুষের সাথে তর্ক আর গর্ব করাকে লোকেরা নির্দিষ্ট করে নিয়েছে৷

তিনি বলতেন, একজন রাখাল যখন পালের পশুগুলিকে সতর্ক করে তখন পশুগুলো নিজেদের চাহিদাগুলোকে মিটিয়ে দিয়ে সেই জিনিস ছেড়ে দেয়৷ কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, আল্লাহ তায়ালার কিতাব আমাদেরকে বার বার প্রবৃত্তির চাহিদাকে মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করতেছে কিন্তু আমরা তা থেকে বিরত হচ্ছি না৷ বরং প্রবৃত্তির চাহিদা পুরা করার পিছনে আরো এগিয়ে চলছি৷

তিনি বলতেন, একজন লোক হজরত ঈসা আলাইহিস সালামের কাছে নসিহত কামনা করলো৷ তিনি ওই লোককে বললেন, তুমি দেখো, তোনার রুটি কোথায় থেকে এসেছে৷ অর্থাৎ হালাল পন্থায় এসেছে না হারাম উপায়ে এসেছে৷

তিনি বলতেন, আমি মনে করি ছাত্রদের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ-সম্পদ থাকা জরুরি৷ কারণ, তা না থাকলে মানুষের কাছে লজ্জিত হতে হয়৷ বিভিন্ন বিপদাপদ চলে আসে৷ মানুষরাও তুচ্ছতাচ্ছিল্য বেশি করতে থাকে৷

তিনি বলতেন, কেউ কারো কাছে নিজের অসুস্থতার অভিযোগ করা আল্লাহ তায়ালার উপর অভিযোগ করা নয়৷

তিনি হাদিয়া ফেরত দিতেন৷ গ্রহণ করতেন না৷ কারণ হিসাবে বলতেন, যদি লোকেরা এই হাদিয়ার কারণে আমার উপর প্রভাব বিস্তার করবে না- এই বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারতাম, তাহলে আমি তাদের হাদিয়া গ্রহণ করতাম৷

তিনি বলতেন, বর্তমান সময় তো হলো, শুধু নিজেকে সংশোধন করার চিন্তায় মনোযোগী হওয়ার৷ আর অন্যদেরকে তাদের নিজের অবস্থায় ছেড়ে দেওয়ার৷

তিনি বলতেন, কারো ধর্মীয় বন্ধু বেশি হওয়া লোকটির নম্র ও উত্তম চরিত্রের আলামত৷

তিনি বলতেন, কারো মধ্যে নেতা হওয়ার চাহিদা দেখলে, তোমরা তাকে পিছনে রেখে দাও৷

সূত্র: আকওয়ালে সালফ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ