শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস পালিত ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া ‘সবার সহায়তায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে পারবে’ স্বপ্ন দেখে ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নয়, কাবার ইমামের সতর্কবার্তা আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত প্রতিটি মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছর কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী আমিই: আমির হামজা সাংবাদিককে লাঞ্ছনার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আলেমদের অবদান তুলে ধরলেন মাওলানা আরশাদ মাদানী ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে উৎপাদন চালু  

অসুস্থ বা মা’যুর ব্যক্তি নামাজের জন্য যেভাবে ওযু করবে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইউসুফ লাবীদ: মা’যুর ব্যক্তি যে কারণে মাযূর হয়েছে সে কারণ বন্ধ থাকার সময় উযু ভঙ্গের অন্য কোন কারণ ঘটায় যদি উযূ করে। তারপর মা’যূর যে কারণে হয়েছে সে কারণ ঘটে, তাহলেও উযু চলে যাবে। অবশ্য মা’যুর যে কারণে হয়েছে সে কারণে যে উযু করবে সেই উযু ওয়াক্তের শেষ পর্যন্ত থাকবে যদি উযু ভঙ্গের অন্য কোন কারণ না পাওয়া যায়।

যদি এই রক্ত ইত্যাদি (অর্থাৎ, যে কারণে মা'যূর হয়েছে) কাপড়ে লাগে এবং এরূপ মনে হয় যে, নামায শেষ হওয়ার পূর্বে আবার লেগে যাবে, তাহলে ঐ রক্ত ধােয়া ওয়াজিব নয়। অন্যথায় ধুয়ে নিয়ে পাক কাপড়েই নামায পড়তে হবে। তবে রক্ত এক দেরহাম পরিমাণের কম হলে তা না ধুয়েও নামায হয়ে যাবে। হাতের তালু সম্পূর্ণ খুলে তাতে পানি রাখলে যে পরিমাণ স্থানে পানি থাকে তাকে এক দেরহাম-এর পরিমাণ বলা হয়। (বেহশতি জেওর)

মাযুর বলে গণ্য হওয়ার জন্য শর্ত হল, পূর্ণ এক ওয়াক্ত (শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত) এমন অতিবাহিত হওয়া, যার মধ্যে সে ওজর থেকে এতটুকু বিরতি পায় না যাতে উযুর ফরযগুলা আদায় করে ফরয নামায পড়ে নিতে পারে। এরপর প্রতি ওয়াক্তে সারাক্ষণ সেই ওজর থাকা জরুরি নয়। বরং ওয়াক্তের মধ্যে একবারও যদি পাওয়া যায় তবুও সে মাযূর বলে গণ্য থাকবে। অবশ্য যদি এমন একটা ওয়াক্ত অতিবাহিত হয়, যার মধ্যে একবারও সে ওজর দেখা যায়নি, তাহলে সে আর মা’যুর থাকল না।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ