শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস পালিত ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া ‘সবার সহায়তায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে পারবে’ স্বপ্ন দেখে ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নয়, কাবার ইমামের সতর্কবার্তা আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত প্রতিটি মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছর কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী আমিই: আমির হামজা সাংবাদিককে লাঞ্ছনার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আলেমদের অবদান তুলে ধরলেন মাওলানা আরশাদ মাদানী ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে উৎপাদন চালু  

হজরত মানসূর বিন মু‘তামির রহ. এর পরকাল ভাবনা ও মুজাহাদার বেনজির উপমা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের।। তিনি রাতে ছাদের উপর ওঠে নামায পড়তেন৷ যখন তিনি ইন্তেকাল করেন, তখন প্রতিবেশীর এক মেয়ে তার বাবাকে বললো, বাবা! ওই ছাদের উপর যে একটি খুঁটি ছিলো, সেটি তো এখন দেখি না৷ উত্তরে বাবা বললো, সেটি খুঁটি ছিলো না৷ তিনি বুজুর্গ মানসূর বিন মু‘তামির ছিলেন৷ তিনি ছাদে ওঠে সারা রাত নামায পড়তেন৷

ষাট বছর যাবত তিনি দিনে রোযা রাখতেন আর রাতে নামায পড়তেন৷

রাতের অধিকাংশ সময় তিনি রোনাজারি কান্নাকাটি করতেন৷ অধিক কান্নার কারণে তাঁর উপর ঘরবাসীর দয়া চলে আসতো৷ কিন্তু তিনি সকাল হলেই চোখে সুরমা দিয়ে, তেল ব্যবহার করে অত্যন্ত প্রফুল্ল-সতেজ দেহ ও মন লোকজনের সামনে বের হতেন৷ যেনো লোকেরা ভাবে তিনি সারা রাত অত্যন্ত আরামের সাথে ঘুমিয়েছেন৷ মূল উদ্দেশ্য ছিলো, তাঁর রাতের ইবাদত যেনো লোকজনের অজানা থাকে৷

তিনি বলতেন, যদি এই কথা মেনে নেওয়া হয় যে, দুনিয়ার ভালোবাসা ছাড়া আমাদের আর কোন গুনাহ নেই, তবুও এই গুনাহটিই আমাদেরকে জাহান্নামের উপযুক্ত করে দিতে পারে৷

তিনি আলেমদেরকে বলতেন, আপনারা তো ইলমের স্বাদ গ্রহণ করেন নিজেরা শুনে এবং অন্যদেরকে শুনিয়ে অথচ ইলম দ্বারা মূল উদ্দেশ্য হলো, আমল৷ যদি আপনার ইলম অনুযায়ী আমল করতেন, তাহলে দুনিয়া হাসিল থেকে বিরত থাকতেন৷ কারণ, ইলমের মধ্যে এমন কোন অংশ নেই, যা দুনিয়াকে ভালোবাসার দিকে উৎসাহিত করতে পারে৷

তিনি বলতেন, সবচেয়ে দুনিয়া বিমূখতা হলো, মানুষের সাথে ওঠাবসা ও তাদের খাতির-তাওয়াজু থেকে নিজেকে বিমূখ করে রাখা৷

তিনি দুআয় বলতেন, আয় আল্লাহ তায়ালা! আপনি আমাকে সন্তান দিবেন না৷ সম্পদ দিবেন না৷ ঘরবাড়ি দিবেন না৷ কোন খাদেম দিবেন না৷ এমনকি যেসব জিনিস আপনি দিয়েছেন এবং সেগুলো থেকে যেগুলোকে অপছন্দ করেন, সেগুলোও আমার কাছ থেকে সরিয়ে নেন৷

সূত্র: আকওয়ালে সালফ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ