শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
যেভাবে বাঁচবেন শয়তানের ধোঁকা থেকে জুমার খুতবা চলাকালে নামাজ ও কথাবার্তার বিধান ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, আসছে নতুন কর্মসূচি সনদে ভুল এড়াতে মাদরাসাগুলোকে বেফাকের জরুরি নির্দেশনা বাবুনগর মাদ্রাসায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জুমার শেষে যোগ দেবেন সম্মেলনে সিসেস্তার মাউন্ট বারবারো: ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন মসজিদ শৈশবের বিশ্বাসের সঙ্গে ইসলামের মিল, মুসলিম হলেন মার্কিন তরুণী ফেনীতে ‘খেলাফতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রসচিবদের জন্য বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে আজ জুমা পড়াবেন যাঁরা

তুরস্কের সঙ্গে চুক্তি বাতিল, চীন থেকে অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনবে পাকিস্তান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাকিস্তানের কাছে ৩০টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিক্রির চেষ্টা করছিল তুরস্ক। তবে এই চুক্তিটি থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। এর পরিবর্তে দেশটি চীন থেকে অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা যায়, প্রথমে হেলিকপ্টারগুলো ক্রয়ের জন্য তুরস্কের সঙ্গে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু এই হেলিকপ্টারগুলোর ইঞ্জিন তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রে। চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র এই ইঞ্জিনের উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যারই ফলশ্রুতিতে চুক্তি বাতিল করে পাকিস্তান।

বুধবার এ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল বাবর ইফতিখার। তিনি সামরিক বাহিনীর ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের মহাপরিচালক।

তিনি জানান, পাকিস্তান তুরস্কের সঙ্গে ওই চুক্তি থেকে সরে এসেছে। বর্তমানে এ নিয়ে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তির জন্য দর কষাকষি চলছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি চীন থেকে এখন আমরা কিছু হেলিকপ্টার কিনতে পারবো।

এদিকে ধারণা করা হচ্ছে, ইসলামাবাদ এখন জেড-১৯এমই মডেলের হেলিকপ্টার কেনার চেষ্টা করবে। এটি চীনা জে-১০ এর আপগ্রেডেড সংস্করণ। যদিও পাকিস্তানে পরীক্ষার সময় চীনা হেলিকপ্টারের ইঞ্জিন খারাপ পারফরমেন্স দেখিয়েছে। তবে এখন পাকিস্তানের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই।

২০১৮ সালে তুরস্ক থেকে ৩০টি টি১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ক্রয়ে সম্মত হয় পাকিস্তান। এই হেলিকপ্টারগুলোর ইঞ্জিন তৈরি করে এলএইচটিইসি। এটি একটি মার্কিন কোম্পানি। ফিলিপাইনের ক্ষেত্রে একই ধরণের ইঞ্জিন রপ্তানিতে অনুমোদন দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তারা সেটি আটকে দেয়। ধারণা করা হয়, রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ক্রয়ের কারণে তুরস্ককে শাস্তি দিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ