বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আসছে বাজেটে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: শিক্ষামন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রমাণিত হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই খুলে দেওয়া হবে হরমুজ: ট্রাম্প রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় রোববার

মসজিদে ঘুমানো ব্যক্তির গোসল ফরজ হলে মসজিদ থেকে কীভাবে বের হবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মসজিদে ঘুমানো অবস্থায় যদি কারো গোসল ফরয হয় তাহলে সে কী করবে? এক্ষেত্রে সমাজে অনেক ধরনের কথা প্রচলিত আছে, কেউ কেউ বলে, মসজিদে ঘুমানো অবস্থায় গোসল ফরয হলে কোনো একটি কাপড় মসজিদের ফ্লোরে বিছিয়ে বিছিয়ে তার উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে মসজিদ থেকে বের হতে হবে।

কেউ বলে, ঘুমানোর সময় সাথে মোজা রাখবে এবং গোসল ফরয হলে মোজা পরে মসজিদ থেকে বের হবে। তাদের ধারণা- এ অবস্থায় যেহেতু শরীর অপবিত্র থাকে তাই অপবিত্র শরীর মসজিদের ফ্লোরে লাগানো যাবে না। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়।

মসজিদে ঘুমানো অবস্থায় গোসল ফরয হলে কোনো কিছু বিছিয়ে তার উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে যেতে হবে না; স্বাভাবিকভাবে হেঁটে বের হতে পারবে।

তবে মসজিদে যেন কোনো নাপাকী না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখবে এবং জাগ্রত হওয়ার পর মসজিদে অপেক্ষা করবে না; বরং দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে পবিত্র হবে। ইবনে আবি নাজীহ রাহ. বলেন-

نِمْتُ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فَاحْتَلَمْتُ فِيهِ فَسَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ فَقَالَ اذْهَبْ وَاغْتَسِلْ.

আমি মসজিদে হারামে ঘুমালাম। আমার স্বপ্নদোষ হল। তখন আমি সাঈদ ইবনে জুবায়ের রাহ.-কে জানালে তিনি বললেন-

اذْهَبْ وَاغْتَسِلْ.

যাও, গোসল করে নাও। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, বর্ণনা ৪৯২৩

আর মসজিদে যেন কোনো নাপাকী না লাগে সেদিকে তো খেয়াল রাখতেই হবে; সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু গোসল ফরয হওয়ার কারণে মসজিদের মেঝের উপর দিয়ে হেঁটে যেতে পারবে না- এটি নিছক একটি ভুল ধারণা। পায়ে নাপাকী লেগে না থাকলে হেঁটে যেতে সমস্যার কিছু নেই। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মসজিদে ইতিকাফ অবস্থায়) আয়েশা রা.-কে বললেন, ‘খুমরা’টা (ছোট জায়নামায বিশেষ) দাও। তখন তিনি বললেন, আমি তো হায়েয অবস্থায় আছি। (অর্থাৎ আমি তো অপবিত্র; এ অবস্থায় কীভাবে এটা দিব?)। একথা শুনে নবীজী বললেন-

إِنّ حَيْضَتَكِ لَيْسَتْ فِي يَدِكِ.

হায়েযের নাপাকী তো তোমার হাতে লেগে নেই! (দ্র. সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৯৮; শরহে মুসলিম, নববী) সূত্র- মাসিক আলকাউসার


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ