শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

সুগন্ধার পাড়ে নিখোঁজদের খোঁজে দিশেহারা স্বজনরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সুগন্ধার পাড়ে দিগ্বিদিগ হয়ে ছুটছেন সুমন মিয়া। ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে বরগুনা আসছিলেন তার স্ত্রী সন্তানসহ চারজন। হতবিহ্বল হয়ে বার বার পোড়া লঞ্চ ও এর আশপাশে খুঁজে চলেছেন তিনি।

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন তার স্ত্রী তাসলিমা, কন্যা সুমাইয়া আক্তার মিম, সুমনা আক্তার তানিশা ও ছেলে জুনায়দে। নিখোঁজ সবার বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের মোল্লার হোড়া গ্রামে।

শিমুল বলেন, আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা ঢাকায় থাকত। বেড়াতে বরগুনা আসছিল। রাত ৩টা ১০ মিনিটে মোবাইলে জানায় তাদের লঞ্চে আগুন ধরেছে । তারা সবাই বাঁচার জন্য ছোটাছুটি করছে। কথা বলতে বলতেই মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর একাধিকবার ফোন দিয়েও আর তাদের পাওয়া যায়নি। এরপর খবরে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক এখানে ছুটে এসেছি। কিন্তু কোথাও তাদের খুঁজে পাইনি। তারা আদৌ বেঁচে আছে না মরে গেছে তাও বলতে পারছি না।

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিজের ছোট সন্তানকে নিয়ে বেঁচে ফিরেছেন সোনিয়া বেগম। ঢাকা থেকে চারজন ফিরছিলেন তারা। ছোট ছেলেকে বাঁচাতে পারলেও নিখোঁজ রয়েছে তার বড় ছেলে জুনায়েদ ও মা রেবা বেগম। সোনিয়ার বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার জাকিরতবক এলাকায়।

সোনিয়া বেগম বলেন, রাতে সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে আগুন লাগলে সবাই হুড়োহুড়ি শুরু করে। অন্যদের দেখে তারাও ছোটাছুটি শুরু করেন। এরপর আর তার মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়নি। তিনি কোনোমতে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ছোট ছেলেকে নিয়ে তীরে উঠতে পারলেও তার ছেলে আর মায়ের সন্ধান মেলেনি এখনো।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ