মোস্তফা ওয়াদুদ: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, ‘হেফাজত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ঈমানী আন্দোলনের সংগঠন। এই সংগঠনের কোনও রাজনৈতিক উচ্চাবিলাস বা কর্মসুচি নেই। আমরা সেভাবেই হেফাজতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবাে ইন শা আল্লাহ।’
আজ রোববার (২৯ আগস্ট) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় ও খাস কমিটির বৈঠকে পঠিত বক্তব্যে হেফাজতের নতুন আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্দুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদী এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা শাহ মুহিব্দুল্লাহ বাবুনগরী। অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় ও খাস কমিটির নেতৃবৃন্দ। বৈঠকের শুরুতে সদ্য প্রয়াত আমীর আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী রহ.-এর মাগফিরাত ও দারাজাত বুলন্দি কামনা করা হয়।
হেফাজত আমীর আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী আরও বলেন, হেফাজতের আমীর আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী রহ. এর ইন্তেকালে ইসলামী নেতৃত্বে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ হওয়ার নয়। তিনি একাধারে একজন বিখ্যাত মুহাদ্দিস, শাইখুল হাদীস ও ধর্মীয় আন্দোলনের আপােষহীন সিফাসালার ছিলেন। এমন নেতৃত্ব আগামী শতবছরেও জাতির ভাগ্যে জুটবে কিনা সন্দেহ আছে। আমি মরহুম আমীরের মাগফিরাত কামনা করি। সাথে সাথে দেশ ও সারা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে মরহুম আমীরের জন্য দুয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
হেফাজত আমীর আরও বলেন, আমি বায়ােবৃদ্ধ মানুষ। সকলে মিলে আমাকে আমীরের দায়িত্ব দিয়েছেন। শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য কঠিন হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা করবাে ইন শা আল্লাহ।
হেফাজত মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেন, আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর ইন্তেকালে দেশবাসী একজন ঈমানদার, সৎ ও সাহসী রাহবারকে হারিয়েছে। তিনি শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর হাত ধরে হেফাজতের মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। যথাযথভাবে তিনি সে দায়িত্ব পালন করেছেন।
শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. এর পরে সারাদেশে সবচেয়ে গ্রহণযােগ্য নেতৃত্বে ছিলেন আল্লামা বাবুনগরী। জীবদ্দশায় তিনি কখনাে আপােষ করেননি। শাইখুল ইসলামের মৃত্যুর পর সারাদেশের আলেম-উলামা ও হেফাজত নেতৃবৃন্দের সমর্থনে আল্লামা বাবুনগরীকে আমীরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তিনি সেখানেও সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু মহান আল্লাহর হুকুমে তাকে পরপারের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যেতে হয়েছে। শাইখুল ইসলামের ইন্তেকালের এক বছরের মধ্যেই আল্লামা বাবুনগরীর ইন্তেকাল আমাদের অসহায় করে à¦