শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কওমীপিডিয়ার তালিকায় দেশের শীর্ষ ৫ প্রভাবশালী আলেম আওয়ার ইসলামে শুরু হচ্ছে নিয়মিত আয়োজন ‘পেপসা নিবেদিত তারুণ্যের ভাবনা’ কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশনে ৯ দফা প্রস্তাব গৃহীত জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত আগস্টের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের দাবি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আন্দোলন আরও জোরদার হবে: আমিরে মজলিস হেজবুত তাওহীদ নিষিদ্ধের দাবিতে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা হেফাজতের বিএনপি সরকার ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আস্তানার নামে ওয়াক্ফ করা জায়গায় মাদরাসা বানানোর বিষয়ে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: আস্তানার নামে ওয়াক্ফ করা জায়গায় মাদরাসা বানানো যাবে? অথবা মসজিদ? কিংবা মকতব? এমন প্রশ্ন করতে শোনা যায় অনেককে। কেননা ভারতীয় উপমহাদেশে একটা সময় ছিলো, যখন ধর্ম বলতে সাধারণ বুঝতো পীর ফকিরের দরবার আর মাজার শরীফ কিংবা আস্তানাকে। তখন কুরআন-হাদিসের ছহীহ চর্চা না থাকাতেই হয়তো এমনটা হয়েছে। আর সাধারণ মানুষ নিজেদের সবকিছু দান করে যেতো মাজার কিংবা পীর-ফকিরের আস্তানাতে।

এখন সময়ের পরিবর্তন এসেছে। ধর্মের বুঝ এসেছে সাধারণ মানুষের মাঝে। তাই অনুশোচনায় ভুগছেন তারা। তবে সে সময়ের আস্তানার নামে ওয়াক্ফ করা জায়গায় কী মসজিদ-মাদরাসা বানানো যাবে? দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে এমনই একটি প্রশ্ন করেন জনৈক ব্যক্তি।

প্রশ্নকারী তার প্রশ্নে উল্লেখ করেন, ‘পূর্বেকার জামানার লোকেরা উত্তম বা কল্যাণ মনে করে নিজেদের কোনো জায়গাকে আস্তানার নামে ওয়াক্ফ করে দিয়েছেন। যেখানে মুহাররম মাসে বিদআত ও শরীয়ত বিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখন যদি যে জায়গায় সেই গ্রামের বাসিন্দারা পরামর্শ সাপেক্ষে মসজিদ অথবা মাদরাসা কিংবা মকতব প্রতিষ্ঠা করে। অথবা হুবহু ওই জায়গায় যেখানে আস্তানা বানানো হয়েছে, সেখানে মসজিদ বানান, তাহলে কি সেটা জায়েজ হবে?’

উল্লেখ থাকে যে, ‘যদি ওই জায়গায় যেখানে আস্তানা বানানো আছে সেখানে মসজিদ বানানো না হয়, তাহলে পরবর্তীতে সেখানে আরো অনেক বেশি বিদআত ও শরীয়ত বিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে। দয়া করে এ মাসআলাটির সমাধান দিয়ে ধন্য করবেন।’

এ প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দ থেকে বলা হয়, ‘যদি কোনো ফেতনা হওয়ার আশঙ্কা না থাকে। আর ঐ স্থানের জিম্মাদার বা মুতাওয়াল্লী গ্রামবাসীর সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে সে জায়গাটি মসজিদ, মাদরাসা বা মকতবের নামে পরিবর্তন করে নেয়, তাহলে কোন সমস্যা নাই। মাকরুহ ছাড়াই সেটা জায়েজ আছে।’

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ