[জামিয়া দারুল উলুম করাচির মুখপাত্র ‘ماہنامہ البلاغ মাহনামা আল-বালাগ’ এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিশ্বনন্দিত আলেম, স্কলার আল্লামা তাকি উসমানির আত্মজীবনী আওয়ার ইসলামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।
এ বিষয়ে আল্লামা তাকি উসমানি আনুষ্ঠানকিভাবে আওয়ার ইসলামকে ভাষান্তর করে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। গত ২ জানুয়ারি জামিয়া দারুল উলুম করাচির তাখাসসুস ফিল ইফতার শিক্ষার্থী, আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের শুভাকাঙ্ক্ষি উমর ফারুক ইবরাহীমীর মাধ্যমে আল্লামা তাকি উসমানি ও পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মজীবনী ‘ইয়াদে’ অনুবাদের অনুমতি চাওয়া হলে তারা খুশি মনে রাজি হন এবং আওয়ার ইসলামকে ধন্যবাদ জানান বাংলাভাষায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য।
আল্লামা তাকি উসমানির নতুন ধারাবাহিক আত্মজীবনী “یادیں ইয়াদেঁ ” মাহনামা আল-বালাগে সফর ১৪৩৯ হিজরি, নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি মাস থেকে। আওয়ার ইসলামে লেখাটি প্রতি রোববার ও বুধবার প্রকাশ হবে ইনশাল্লাহ। আজ ছাপা হলো ৩৪ তম কিস্তি। অনুবাদ করেছেন মুহাম্মদ উমর ফারুক ইবরাহীমী।]
পূর্ব প্রকাশের পর: আব্বাজানের এক বন্ধু মরহুম হাজ্বী দাউদ মাইত সাহেব মক্কা মুকাররমায় মুকীম ছিলেন। তিনি আব্বাজান রহ কে বললেন, আমাদের অবস্থান কোনো মু'আল্লিমের কাছে না হয়ে যেনো তার বাসায়'ই হয়। সেসময়ের হারাম শরীফ দেখেছেন এমন মানুষের সংখ্যা বর্তমানে হাতেগোনা দু'চারজনই আছেন হয়তো। হারাম শরীফ সেসময় শুধুমাত্র (পুরাতন) তুর্কি ভবন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিলো।
এবং তার চতুর্দিকে একেবারে হারাম শরীফ ঘেঁষে তিনতলা বিশিষ্ট ফ্ল্যাট নির্মিত ছিলো। আজকাল যেখানে বাবুল ফাতহে'র অভ্যন্তরীণ সিঁড়ি রয়েছে তার সন্নিকটেই হারামের একটি ছোট্ট দরজা ছিলো, যেটাকে বাবুর রিবাত বলা হতো।
এই বাবুর রিবাতে'র সিঁড়ি বেয়েই ফ্ল্যাটে যেতে হতো। চতুর্থ তলায় হাজ্বী দাউদ মাইত সাহেব রহ এর বাসা ছিলো। সেই বাসার যে কামরায় আমাদের অবস্থান ছিলো তার জানালা হারাম শরীফ অভিমুখে খুলতো। সেখান থেকে বাইতুল্লাহ শরীফ, মিযাবে রহমত এবং হাতিমে'র দৃশ্য কখনোই চোখের আড়াল হতোনা।
মিনায় সবেমাত্র যতসামান্য বসতি গড়ে উঠেছে। হাজ্বী দাউদ মাইত সাহেব মিনায় একটি বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানেই আমাদের সবার অবস্থান ছিলো। আগামীকাল আরাফাহর দিকে ছুটতে হবে। সে বয়সে 'মানাসিকে হজ্বে'র অনুভূতিই বা কী ছিলো?
এতটুকু মনে আছে, দৃষ্টির প্রান্তসীমা পর্যন্ত বিস্তà§