নুরুদ্দীন তাসলিম।।
গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনে তারকা খ্যাতি পাওয়া বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও পর্নোগ্রাফিসহ নানা অভিযোগ করেছেন আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর সদস্যরা। এই তালিকায় আছেন নায়িকা পরীমনি, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ, মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, মরিয়ম আক্তার মৌ ও নারী উদ্যোক্তা হেলেনা জাহাঙ্গীর।
‘এছাড়াও আরও এক ডজন মডেল নজরদারিতে রয়েছেন। এতে আতঙ্কে অন্তত ২১ প্রভাবশালী ব্যক্তির ‘ঘুম হারাম’ হওয়ার অবস্থা’ । হুবহু এমন শিরোনামেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করতে দেখা গেছে দেশের প্রথম সারির একটি সংবাদমাধ্যমকে।
গত কয়েকদিনে আটক অভিনেত্রী ও মডেলরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বর্ণ চোরাচালান, ব্ল্যাকমেইলিং, মাদক ব্যবসা, জাল মুদ্রা তৈরি, অস্ত্র কারবারে সম্পৃক্ততাসহ নানা অবৈধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
বাংলাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা দিয়েছেন সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে মাদকসহ নানা অনৈতিক কাজের বিরোধী প্রচারণাতেও সোচ্চার হতে দেখা যায় তারকাদের। এদিকে কিছুদিন পর পর সংবাদমাধ্যমে আসে এই মডেল-অভিনেত্রীদের বড় একটি অংশের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার খবর।
‘সরকারের এমন উদ্যোগ স্বস্তিদায়ক’
বিষয়টি কীভাবে দেখছেন, এতে দেশের ইমেজে প্রভাব পড়ছে কতটা? - এমন প্রশ্নে জাগ্রত কবি মাওলানা মুহিব খান বলছেন, ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশই যুব সমাজ। মাদক এবং অশ্লীলতা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের যুব সমাজের চারিত্রিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে। বিভিন্ন পর্যায় থেকে তরুণরা নানা ধরনের ভুল মেসেজ পাচ্ছেন। শোবিজ অঙ্গনের লোকজনের কাছ থেকেও যুবকদের কাছে ভুল বার্তা কম আসে না; তাদের মধ্যে যাদের জীবনধারা সন্দেহজনক অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সরকারের এমন উদ্যোগ আপাতত স্বস্তিদায়ক। কিছু মানুষকে গ্রেফতারের মাধ্যমে বাকিরা হয়তোবা ঠিক হয়ে যাবেন বলছেন কবি মুহিব খান।
বর্তমানে চালানো এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে কবি মুহিব খান প্রশ্ন তুলছেন; যুবসমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা অপতৎপরতাগুলো বন্ধে এতদিন অভিযান দেখা যায়নি কেন? এজন্য দায়িত্বশীল মহলের কর্তাদেরও প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
‘দেশপ্রেমী, সচেতন, ধর্মপরায়ণ নাগরিক মাত্রই জানেন, এরা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেন’
মাদকসহ নানা অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে