রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাংলাদেশের পাঁচ শতাধিক ইমাম-আলেমকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সৌদি তরুণ মাদানী গ্র্যাজুয়েটদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করল ‘মাদানী স্কলারস ফোরাম’ বন্যার্তদের ত্রাণের বিপুল অর্থ মাওলানা বদরুদ্দিন আজমলের হাতে হস্তান্তর বিমানবন্দর এলাকায় তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় হজের বিমান ভাড়া আরও কমানোর চেষ্টা চলছে: বিমান মন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে লন্ডনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ফিরিয়ে দিন বিধবার মুখের হাসি আজ শুরু হচ্ছে বেফাকের ইলমুত তাজবিদ ওয়াল কিরাতের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত: মির্জা ফখরুল

সংসার চালাতে না পেরে তিন মাসের শিশুকে বিক্রি করে দিল বাবা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় নিজ সন্তান বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। মাত্র  ৪৫ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে বিক্রি করেছেন বাবা। এ খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন এক অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত্রে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের দিন মজুর শাহআলম ও রাবেয়া দম্পতির তিন পুত্র সন্তান। রাবেয়া বলেন, দিন মজুর স্বামী শাহ আলমের কামাই রোজগারে পাঁচজনের সংসার চলে না। করোনায় কয়েক মাস ধরে শাহ আলম বেকার। সংসারে বেশ কিছু ঋণ রয়েছে।

পাওনাদারেরা প্রতিদিনই তাগাদা দিচ্ছিলো। এরই মধ্যে স্বামী শাহ আলম গাজায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় পাওনা টাকা পরিশোধ এবং সংসারের অনটনের দরুন তিন মাস বয়সী শিশুকে বাইশকাইল গৈজারপাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া ও স্বপ্না দম্পতির নিকট গত ১৬ দিন আগে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, সবুজ ও স্বপ্না দম্পতিও নিঃসন্তান। তারা শাহ আলম-রাবেয়া দম্পতির অনটনের সুযোগ নিয়ে টাকার বিনিময়ে শিশুটি কিনে নেয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে দত্তক নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা সেটি করেনি।

এমতাবস্থায় প্রশাসন সবুজ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশু আলহাজকে উদ্ধার করে মা রাবেয়া বগমের কোলে পৌঁছে দেয়। কেউ আগ্রহ প্রকাশ না করায় এবং মানবিক দিক বিবেচনায় থানায় কোন মামলা নেয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, ঘটনাটির নেপথ্যে রয়েছে দারিদ্রতা। পরিবারটিকে সার্বিকভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

রাবেয়া বেগমকে পৌর শহরে নুরুল ইসলামের ক্লিনিকে আয়া পদে চাকরির ব্যবস্থা করাসহ নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। এধরণের সাহায্য অব্যাহত থাকবে। জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, ওই শিশুর যাবতীয় লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবে জেলা প্রশাসন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ