নুরুদ্দীন তাসলিম।।
এবারও করোনা মহামারীর মধ্যেই পালিত হবে মুসলমানদের দ্বিতীয় খুশি- ঈদুল আযহা। কোরাবানির ঈদকে ঘিরে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে অনলাইনে ডিজিটাল গরুর হাট উদ্বোধন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
রোববার (৪ জুলাই) ডিজিটাল গরুর হাটের উদ্বোধন করেছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। এবারের হাটে মোট ১ লাখ গরু বেচাকেনার লক্ষ্যমাত্রা আছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ১০ জুলাই এর মধ্যে যারা গরু কিনবেন তাদের মধ্যে ১ হাজার জন ডিজিটাল হাটের তত্ত্বাবধানে পশু জবাই করিয়ে নিতে পারবেন।
অনলাইনে ডিজিটাল গরুর হাট ও ডিজিটাল হাটের তত্ত্বাবধানে পশু জবাই- বিষয়টি নিয়ে বেশকিছু প্রশ্ন দেখা গেছে জনমনে। কেউ প্রশ্ন তুলেছেন; অনলাইনে কোরবানীর পশুর হাট শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে কতটা বৈধ, কেউবা প্রশ্ন করছেন, ডিজিটাল হাটের তত্ত্বাবধানে জবাই করা পশুর ক্ষেত্রে শরীয়ত নির্ধারিত রীতিনীতিই বা পালন করা হবে কতটুকু? গোস্তের পরিমাণ ঠিক থাকবে এ বিষয়টির নিশ্চয়তাই বা কতটুকু?
জনমনে দেখা দেওয়া প্রশ্ন নিয়ে আওয়ার ইসলাম মুখোমুখি হয়েছিল দেশের অন্যতম ফিকহ বিশেষজ্ঞ, রাজধানীর শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদের সাথে।
তিনি আওয়ার ইসলামকে বলেছেন, অনলাইনে বেচাকেনা শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধ। তবে অনলাইন থেকে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে মূল বিষয় হচ্ছে- দেখে পণ্য ক্রয় করা। অনলাইন থেকে পণ্য দেখে কেনার পর সেই পণ্য যদি দেখা পণ্য সাথে না মিলে তাহলে এ পণ্য ফেরত যোগ্য কিনা এ নিয়ে ইমামদের মাঝে বিভিন্ন মত রয়েছে।
এক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা ও মুহাম্মদ রহ.-এর মতামত হলো, যদি কোন পণ্য কেনার পরে যেভাবে অর্ডার দেওয়া হয়েছিল তেমন না হয় এর মাঝে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়, সে ক্ষেত্রে ক্রেতার ইচ্ছাধিকার রয়েছে; তিনি চাইলে পণ্য রাখতে পারেন অথবা ফেরত দিতে পারবেন।

উদাহরণ দিতে গিয়ে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলছেন, অনলাইনে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অনেক সময় এমন হয়ে থাকে, যে ধরনের কাপড় আমরা অর্ডার করে থাকি হাতে পাওয়ার পর দেখা যায় তার রঙ সুতা অথবা বিভিন্ন জিনিসের কিছুটা গরমিল থাকে; এক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা ও মুহাম্মদ রহ. এর মতামত উপরে বর্ণনা করা হয়েছে।
তবে এক্ষেত্রে হানাফী মাযহা