রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড

যে নিয়মকানুন মেনে চললে কিডনি রোগ নিয়েও ভালোভাবে বাঁচা যায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অনেকেই কিডনি রোগে ভুগছেন। কিন্তু এ রোগ নিয়েও ভালোভাবে বাঁচা যায়। তবে এর জন্য শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন যাপন করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. মারজোয়া হুমায়রা।

কিডনি রোগ নিয়ে ভালোভাবে বাঁচার উপায় কী, এ প্রশ্নের উত্তরে ডা. মারজোয়া হুমায়রা বলেন, কিডনি রোগে আমরা যদি কিছু নিয়মকানুন মেনে চলি, তাহলে আমরা দীর্ঘদিন ভালো থাকতে পারি।

প্রথমত আমাদের প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটা নির্ণয় করতে হবে এবং রেগুলার একটা চেকআপে থাকতে হবে। ডাক্তার যেভাবে বলবেন। ধরেন, ছয় মাসে একবার বা এক বছরে একবার বা কারও ক্ষেত্রে দুই মাস পর পর, যখন লাগবে এক মাস পর পর, তাকে নিয়মিত একটা চেকআপে থেকে এবং প্রত্যেকটা প্যারামিটার কন্ট্রোল করা; যেমন ক্রনিক কিডনি ডিজিজ হওয়ার পরেও যে জিনিসগুলো কিডনিকে বেশি অ্যাফেক্ট করে বা ক্ষতিটা বাড়িয়ে দেয়; যেমন কারও যদি রক্তচাপটা খুব বেশি থাকে, তাহলে দেখা যাবে যে এটা কিডনিকে আরও ক্ষতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সো, আমরা তার উচ্চ রক্তচাপটাকে খুব ভালোভাবে কন্ট্রোল করব, তার পর কারও যদি ইউরিনে খুব বেশি প্রোটিন চলে যেতে থাকে, সেটাও আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখব। যার প্রাথমিক ডিজিজ যেটা ছিল, যেমন যার নেফ্রাইটিস থেকে হয়েছে, তার নেফ্রাইটিসটাকে মনিটর করা; যার ডায়াবেটিস থেকে হয়েছে, ডায়াবেটিসটাকে নিয়ন্ত্রণ করা।

ডা. মারজোয়া হুমায়রা বলেন, কিডনি রোগটা হয়ে যাওয়ার পরে এটা থেকে পরবর্তী যে কমপ্লিকেশনগুলো হয়, সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। যেমন রক্তে চর্বির পরিমাণ যেন না বেড়ে যায়, রক্তের পরিমাণ যদি কমে যায়, সে ক্ষেত্রে তাকে প্রপার চিকিৎসা দেওয়া। কখনও আমরা তাকে আয়রন দিচ্ছি মুখে, কখনও আইভি আয়রন দিচ্ছি, কখনও রক্ত তৈরি হওয়ার যে উপাদান, সেটা আমরা বাইরে থেকে দিয়ে দিচ্ছি। যেটা তার জন্য উপযুক্ত, আমি ক্লিনিক্যালি দেখে যেটা মনে করব দেওয়া দরকার, সেটা করব। হারমেটাবলিজমের যে ভূমিকা কিডনি রাখে, সেটা কী অবস্থায় আছে, সেটার জন্য ক্যালসিয়াম, ফসফেট সাপ্লিমেন্ট দেওয়া লাগে। অম্ল-ক্ষারের... কিডনি খারাপ থাকলে মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস হয়ে যায়। সেটার জন্য আমরা চিকিৎসা দিয়ে থাকি। সোজা কথা, কিডনি যা যা কাজ করে, সে কাজগুলো যেন ঠিকঠাক চলে যায় বা হতে থাকে, সে জন্য যে ওষুধগুলো বাইরে থেকে দিতে হবে, সেগুলো দেওয়া। আর খাদ্যতালিকা মেনে চলা।

কিডনি রোগীকে শুধু ওষুধ খেলেই চলবে না, জীবন যাপনের ধরনেও পরিবর্তন আনতে হবে। তাহলেই ভালো থাকা যাবে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ