বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

এবারও ইন্দোনেশিয়া থেকে হজযাত্রী পাঠাবে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া এবছর কাউকে হজে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না।

করোনার কারণে এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছর কাউকে হজে যাওয়ার অনুমতি দিলো না দেশটি। বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশীয় ধর্মমন্ত্রী এই ঘোষণা দিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয় জানায়, দেশটির অনেক মানুষের কাছেই তাদের জীবনের অন্যতম কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য হলো হজ। মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কোটা পদ্ধতির কারণে অনেককেই গড়ে প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

ধর্মমন্ত্রী ইয়াকুত চোলিল কওমাস এক বিবৃতি বলেন, হজ যাত্রার সুরক্ষা এবং মহামারির কারণে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই বছরও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের হজে অংশগ্রহণ করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত সৌদি আরবও হজে অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত করেনি। ধর্মমন্ত্রী বলেন, কেবল ইন্দোনেশিয়া নয়, বরং কোনও দেশই এখনও হজের কোটা বরাদ্দ পায়নি। কারণ, এখন পর্যন্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়নি।

হজের জন্য ইতোমধ্যে যারা অর্থ প্রদান করেছেন তারা আগামী বছর হজ পালনের সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি।

শনিবার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, ১১টি দেশের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু এসব দেশ থেকে আসা যাত্রীদে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

সৌদি সরকারের তথ্য অনুসারে, মহামারির আগে যখন সামাজিক দূরত্বের বিধি জারি হয়নি তখন আড়াই কোটি মুসলমান এক সপ্তাহের পবিত্র স্থান মক্কা ও মদিনা সফর করতেন। সঙ্গে ওমরাহ মিলিয়ে দেশটির আয় হত ১২০০ কোটি ডলার।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ