শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮


অভাব মুক্ত সমাজ গড়তে জাকাতের বিকল্প নেই: মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন
শ্রুতিলিখন- যাকওয়ানুল হক চৌধুরী

আমরা পানাহার করি, পানাহার থেকে বিরত থাকি আল্লাহর আদেশেই। এর অর্থ হলো আমরা তাঁর আদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছি। এখন আমরা রোজা রাখছি, না খেয়ে থাকছি আল্লাহর হুকুমের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের জন্য। এর বিনিময়ে আমরা পুরস্কার পাবো। রোজা রাখার কারণে আল্লাহর প্রতি বান্দার যে ইমান এবং বিশ্বাসের সম্পর্ক রয়েছে, এর মধ্যখানে কোন আড়াল থাকে না। যেহেতু কোন ধরণের বাধা ছাড়া আল্লাহর সাথে সম্পর্ক থাকে।

হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ বাব্বুল আলামিন বলেছেন- ‘রোজা আমার জন্যই, এর পুরস্কার আমার হাতেই দেব।’

অন্যান্য আমলের প্রতিদান বান্দা বেহেস্তে গিয়ে পাবে। কিন্তু রোজার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন। রমজানের রোজার বড় একটি বিষয় হলো যে, এর দ্বারা মানুষের ইমান সজিব হয়, মানুষের ইমানের শেকড়ে নতুন করে প্রাণ সঞ্চারিত হয়। ফলে দেখা যায়; ইমানের আরো যেসকল দাবী আছে, ওই দাবী পূরণ করা তার জন্য সহজ হয়ে যায়। হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সরাসরি আল্লাহর তরফ থেকে ইমান নিয়ে এসেছেন। তাঁর কাছ থেকে যারা ইমান গ্রহণ করেছেন, তাদের ইমান আর আমাদের ইমান কি সমান হবে? ইমান যত মজবুত হবে, ইসলামের দাবী তত সুন্দর ও উজ্জ্বলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন জিহাদের উদ্দেশ্যে কোন বাহিনী প্রেরন করতেন,তাদেরকে এই মর্মে নির্দেশ দিতেন যে, তোমরা সেই এলাকায় গিয়ে সেখানের লোকদের ইমানের দাওয়াত দিবে। তারা ইমান এনেছে এটা বুঝার উপায় হলো, তখন তাদেরকে নামাজের দাওয়াত দিবে। যদি নামাজ আদায় করে, তাহলে তাদের মধ্যে যারা বিত্তশালী তাদেরকে আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জাকাত আদায় করতে হবে। যদি তারা জাকাতও আদায় করে, তাহলে তাদের জান-মাল-ইজ্জতের নিরাপত্তা আল্লাহর পক্ষ থেকে চলে আসবে। এখন কেউ তাদের উপর হামলা করতে পারবে না।

ইমান কোন ব্যক্তি আনলো কিনা, সেটা তার ভেতরের বিষয়। বাহির থেকে ইমান বুঝার মাপকাঠি হলো- সে নামাজ পড়ে কিনা, সে জাকাত দেয় কিনা? নামাজ এবং জাকাত হলো ইমানকে বাহির থেকে মাপার মাপকাঠি, আলামত। আল্লাহর রাসুল দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার সাথে সাথে যেসব ফিতনা দেখা দিয়েছিল, তারমধ্যে অন্যতম একটা হলো জাকাত না দেওয়া। একদল লোক বলতে লাগলো- আল্লাহ তাঁর পয়গাম্বরকে আদেশ করেছেন, আমরা তাঁর হাতে জাকাত তুলে দিয়েছি, এখন তিনি দুনিয়াতে নাই, এখন আমরা ক