সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ বছরে পুলিশের হাতে নিহত ১৬৫৩ কৃষ্ণাঙ্গ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে অন্তত ১৬৫৩ জন কৃষ্ণাঙ্গ খুন হয়েছেন পুলিশের হাতে। এই খুনগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খুনি পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। দেশটির নিম্ন আদালতে অভিযুক্ত পুলিশকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলেও সুপ্রিম কোর্টে তারা মুক্তি পেয়ে যান। এই মুক্তি পাওয়ার পেছনে সুপ্রিম কোর্টে পুলিশের শক্তিশালী ইউনিয়নের প্রভাবকে দায়ী করা হচ্ছে।

উল্লিখিত পাঁচ বছরে যে খুনগুলো হয়েছে তার চেয়েও বেশিসংখ্যক কৃষ্ণাঙ্গ পুলিশের হাতে মারা গেছেন বলে দাবি অনেক মানবাধিকার সংগঠনের।

সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের হাতে নিহত কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের বিস্তারিত নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে ২০১৪ সালে অ্যান্ডারসন নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার বিষয় উল্লেখ করা হয়।

বলা হয়, স্কট অলড্রিজ ও ব্রায়ান মায়ের নামে দুই পুলিশের হাতে নির্মমভাবে মারা যান তানিশা অ্যান্ডারসন নামের ৩৭ বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ নারী। ওই ঘটনায় আদালত পুলিশ অলড্রিজকে ১০ দিনের জন্য সাসপেন্ড করে এবং মায়েরকে শুধু লিখিত সতর্কতামূলক নোটিস দেয়। এর বাইরে ওই হত্যা নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি। একই বছর মাইকেল ব্রাউন নামে ১৮ বছর বয়সী অপর এক কৃষ্ণাঙ্গকে হত্যা করে এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। ব্রাউন রাস্তায় তার বন্ধুর সঙ্গে হাঁটছিলেন। ওই অবস্থায় তাকে গুলি করে পুলিশ। ওই ঘটনায় দায়ী পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তামির রাইস নামে ১২ বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ পার্কে বসে একটি খেলনা বন্দুক নিয়ে খেলছিল। পুলিশ অফিসার টিমোথি লোহম্যান খেলনা বন্দুক হাতে তামিরকে গুলি করে হত্যা করেন। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়ায় কিছু সমালোচনা হলেও দায়ী পুলিশ টিমোথির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ক্লিভল্যান্ড সিটি কর্র্তৃপক্ষ এক সালিশের মাধ্যমে রাইসের পরিবারকে ৬০ লাখ ডলার পাইয়ে দেয়।

এরকি গার্নার রাস্তায় খোলা সিগারেট বিক্রি করছিলেন। অফিসার ড্যানিয়েল প্যান্টেলিও গার্নারকে গ্রেপ্তার করতে উদ্যত হন। তখন উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে গার্নারের কণ্ঠরোধ করে ড্যানিয়েল। তখন মোট ১১ বার গার্নারকে বলতে শোনা যায় ‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না’। মারা যান গার্নার। ওই ঘটনায় ড্যানিয়েলের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং শাস্তি হিসেবে তাকে রাস্তা থেকে সরিয়ে ডেস্কে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর নগর কর্র্তৃপক্ষ গার্নারের পরিবারকে ৬০ লাখ ডলার পাইয়ে দেয়।

২০১৫ সালে জ্যানিশা ফনভিল নামে এক তরুণ কৃষ্ণাঙ্গকে নিজ বাসায় হত্যা করে অ্যান্থনি হলজহাউয়ার ও শন শেফিল্ড নামে দুই শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। ঘটনার সময় জ্যানিশার হাতে একটি ছুরি ছিল। ওই ছুরি থাকার কারণেই তাকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ