রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘ইসলামি রাজনীতির কর্মীদের আদর্শিক দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জরুরি’ নোয়াখালীতে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত  ‘সমালোচনার ক্ষেত্রেও আল্লাহভীতি ও শালীনতার পরিচয় দেওয়া উচিত’ কানাডায় মসজিদের ইমামের ওপর হামলা উদ্বোধনের আগেই মডেল মসজিদে ফাটল! ‘সংসদে আমিরে মজলিসকে নিয়ে বক্তব্য অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর’ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, আলোচনায় সামরিক সহযোগিতাসহ ১৭ চুক্তি ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সুইজারল্যান্ডে ইরানের প্রতিনিধি দল, যাচ্ছেন ভ্যান্স-শাহবাজ ও আসীম মুনির দুপুরের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

করোনা সংক্রমণ রোধে পাবলিক পরীক্ষা বন্ধসহ ১২ সুপারিশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি বাড়ছে করোনায় মৃত্যু, কয়েকগুণ বেড়েছে করোনার সংক্রমণের হার। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রোধ করার জন্য ১২ দফা সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত মঙ্গলবার কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও বর্তমানে করণীয় সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে জরুরি সভা হয়। সেখানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সংক্রমণ রোধ করার জন্য বৈঠকে ১২টি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এসব প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র ও এনসিডিসি শাখার পরিচালক মোহাম্মদ রোবেদ আমিন বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের সাথে বৈঠক করে এই সুপারিশগুলো মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এখানে যেহেতু পলিসির নানা সিদ্ধান্তের ব্যাপার রয়েছে, সরকার পরবর্তীতে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেভাবে স্বাস্থ্য অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে।

সংক্রমণ রোধে ১২ সুপারিশ—

১. সম্ভব হলে সম্পূর্ণ লকডাউনে যেতে হবে। না হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয় রেখে যেকোনো জনসমাগম বন্ধ করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
২. কাঁচাবাজার, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শপিংমল, মসজিদ, রাজনৈতিক সমাগম, ভোট অনুষ্ঠান, ওয়াজ মাহফিল, রমজান মাসের ইফতার মাহফিল ইত্যাদি অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে।
৩. যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, সেগুলো বন্ধ রাখতে হবে। অন্যান্য কার্যক্রমও সীমিত করতে হবে।
৪. যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা (বিসিএস, এসএসসি, এইচএসসি, মাদরাসা, দাখিলসহ) নেয়া বন্ধ রাখতে হবে।
৫. কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
৬. যারা রোগীদের সংস্পর্শে আসবে, তাদের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
৭. বিদেশ থেকে বা প্রবাসী যারা আসবেন, তাদের ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে এই ব্যাপারে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নেয়া যেতে পারে।
৮. আগামী ঈদের ছুটি কমিয়ে আনা যেতে পারে।
৯. স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আইন আরও জোরালোভাবে কার্যকর করতে হবে।
১০. পোর্ট অব এন্ট্রিতে জনবল আরও বাড়াতে হবে এবং নজরদারির কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
১১. সব ধরনের সভা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে করার উদ্যোগ নিতে হবে।
১২. পর্যটন এলাকায় চলাচল সীমিত করতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ