শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

প্রতিবন্ধী পাগলা আইয়ুব মসজিদে দিয়ে দিলেন পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রির টাকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম রাজৈর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত রত্তন খাঁ'র প্রথম পক্ষের একমাত্র ছেলে আইয়ুব আলী খাঁ (৬০) ওরফে পাগলা আয়োব। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করা ৪৮ হাজার টাকা দাদা-দাদি ও বাবা-মায়ের নামে নিজ গ্রামের মসজিদে দান করে দেন তিনি।

জন্মসূত্রে শারীরিক প্রতিবন্ধী তিনি। তার আপন বলতে তেমন কেউ নেই। এ জন্যই সব পৈতৃক জমিন বিক্রি করে দান করে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১০ বছর বয়সে মা মারা যাওয়ার পর আইয়ুবের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বাবা বাড়িতে না থাকলেই আইয়ুবের ওপর নির্মম অত্যাচার করত সৎমা। পরে বাড়ি থেকে বের করে দিলে কখনো রাস্তায় আবার কখনো প্রতিবেশীদের রান্না ঘরে থাকত সে (আয়োব)। একপর্যায়ে একই এলাকার চাচাতো বোন কোমেলা বেগম আইয়ুবকে ছোট একটি হাঁসের ঘরে থাকতে দেয়।

এভাবেই তার জীবন কাটছিল। হঠাৎ পশ্চিম রাজৈর মধ্যপাড়ার মসজিদটি ভেঙে উন্নয়ন কাজ শুরু হয়। এ খবর পেয়ে আইয়ুব আলী তার আশ্রয়দাতা কোমেলা বেগমকে নিজের পৈতৃক সম্পত্তির ভাগের অংশ বিক্রির কথা বলেন। পরে আশ্রয়দাতা চাচাতো বোনের ছেলেসহ এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পৈতৃক সম্পত্তির ভাগের অংশ বিক্রি করা ৪৮ হাজার টাকা মসজিদে দান করেন।

কোমেলা বেগম জানান, আইয়ুব আমাকে প্রায়ই বলত, আমার বাবার সম্পত্তি আমি যতটুকু পাব সেটা আমাকে বিক্রি করে দাও। এটা আমি মসজিদে দেব। আমার সম্পত্তি থাকলে খাবে কে? আইয়ুব আলী জানান, আমার টাকার দরকার নাই। আমি আমার বাবা-মা এবং দাদা-দাদির নামে মসজিদে দান করেছি। আল্লাহ আমাকে দেখবে।

মসজিদের ইমাম জানান, তিনি একজন অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হয়েও মৃত বাবা-মায়ের জন্য অনেক বড় দান করেছেন। বৃত্তবানরাও যা খুব কম করে। প্রতিটি সন্তানেরই কর্তব্য বাবা-মায়ের হক আদায় করা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ