মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

ভারতজুড়ে কৃষক আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান আন্না হাজারের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে কৃষকরা।

আজ মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে ভারত বনধ পালন করছে তারা। এবার কৃষকদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মহারাষ্ট্রে দিনব্যাপী অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী আন্না হাজারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে। অনশন কর্মসূচি থেকে আন্না হাজারে কৃষকদের এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে সবাইকে আহ্বান জানান। আন্না হাজারে বলেন, আমি দেশের মানুষের কাছে আবেদন জানাই দিল্লিতে যে আন্দোলন হচ্ছে, তা সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। যাতে সরকার কৃষকের পক্ষে কাজ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু কারোরই সহিংস হওয়া উচিত হবে না।

প্রথমে কৃষকদের এই আন্দোলন পাঞ্জাবে সীমাবদ্ধ থাকলেও সপ্তাহ দুয়েক আগে তা এসে পৌঁছে যায় রাজধানী দিল্লিতে। দিল্লি-পাঞ্জাব এবং দিল্লি-হরিয়ানা সীমানাতেও অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার কৃষক। উত্তরাখণ্ড, উত্তর প্রদেশ থেকেও দলে দলে কৃষক এসে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে।

এদিকে আন্দোলনরত কৃষকদের ডাকে সারা ভারতে বনধ পালিত হয়। কেন্দ্রীয় সকারের নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতেই এই বনধ। সাধারণ মানুষের সমস্যা তৈরি না করেই এই বনধ পালিত হবে বলে আগেই জানিয়েছিল ভারতীয় কিষান সংগঠন। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভারতজুড়ে বনধ চলে। বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে আন্দোলনকারী কৃষকদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে।

গতকাল সোমবার সকাল থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়তে শুরু করে। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় রেল অবরোধ। লখনৌয়ের গ্রামীণ এলাকায় বনধ ঘিরে অস্থিতীশলতা রুখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে বনধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল হয়। বহু জায়গায় দোকানপাট এবং বাজার খোলেনি। পশ্চিমবগের বাঁকুড়াসহ একাধিক জেলায় বেসরকারি বাস রাস্তায় নামেনি। কলকাতার রাস্তায়ও বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম।

এদিন সকাল থেকে রাজধানী দিল্লিতে বনধের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা গেছে। বনধের জেরে রাজধানীতে ব্যাংক পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে। রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যাও ছিল কম। তবে সকাল পর্যন্ত বনধ ঘিরে বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ বা অস্থিতিশীলতার কোনো খবর মেলেনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ