মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

ধর্ষণের শাস্তি: মাটিতে লুটিয়ে পড়লে চিকিৎসা দিয়ে আবারও বেত্রাঘাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে এক তরুণকে প্রকাশ্যে ১৬৪ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে। আঘাতের তাড়নায় ১৯ বছরের ওই তরুণ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর একটু সুস্থ হলে পুনরায় তার ওপর বেত্রাঘাত চলতে থাকে।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গত বছর এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জনসম্মুখে ‘শরীয়াহর নিয়ম’ অনুযায়ী তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বোরখা পরিহিত এক কর্মকর্তা তাকে বেত্রাঘাত করেন। আঘাতে কারণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই তরুণ। মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কাতরাতে থাকেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আবার তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।’

দেশটিতে ইসলামিক আইনের লঙ্ঘন করলে ইন্দোনেশিয়ায় এ কায়দায় অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া হয়। তবে এতবার চাবুকের ঘা দেওয়ার সাজা শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধ করলেই দেওয়া হয়।

তবে এরকম শাস্তির বিধানকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ব্যাপক সমালোচনা করেন। প্রদেশটিতে জুয়া, ব্যভিচার, অ্যালকোহল পান করা এবং সমকামী বা বিবাহ-পূর্ব শারীরিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের দায়ে এ ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। আবার শাস্তির এ বিধানকে দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণও সমর্থন করে থাকেন। সূত্র: ডেইলি মেইল

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ