মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের বই পরিবহনে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বরাদ্দ আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় নবীজি (সা.) যে দোয়া পড়তেন বন্ধ কারখানাগুলো দ্রুতই খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী (রহ.)-এর জীবন, কর্ম ও অবদান শীর্ষক কনফারেন্স আগামী শনিবার সীতাকুণ্ডে বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, আহত ২ মিরপুরে চলছে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ‘সৌর বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ১৫শ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার’ জাপানের আয়া সোফিয়া মসজিদে আজান দিলেন এরদোগানের ছেলে ছয় মাস ধরে বেতন বন্ধ, মাদরাসার সুপারকে তালাবদ্ধ করলেন শিক্ষকরা

১৭ বছরের এক যুবকের হামলায় ৮৯ জন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু হয়েছিলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ৩৮বছর আগে ১৯৮২ সালের ১১ নভেম্বর দক্ষিণ লেবাননের টায়ার শহরে দখলদার ইহুদিবাদী সেনাদের সদর দপ্তরে এক যুবকের হামলার নিহত হয় ৮৯ জন সন্ত্রাসী ইসরাইলি সেনা। এ ছাড়াও আহত হয় ৮৬ হানাদার সেনা। তারা সবাই ছিল ইসরাইলের একই কমান্ড ইউনিটের সদস্য।

আহমাদ কাসির নামের ১৭ বছর বয়স্ক এক লেবাননি বীর যুবক হামলা চালিয়েছিলেন। দখলদার ইসরায়েলি সেনারা ১৯৮২ সালে লেবাননে আগ্রাসন চালিয়ে রাজধানী বৈরুত পর্যন্ত অগ্রসর হয় এবং গণহত্যা চালায়। হাজার হাজার বেসামরিক লেবাননি ইসরায়েলি সেনাদের গণহত্যা অভিযানে শহীদ ও আহত হয়েছিলেন। ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেথ এই হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে দায়ি করেছিল।

এ হামলা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ইসলামী গণ-প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং প্রবল প্রতিরোধের মুখে ইসরায়েলি সেনারা বৈরুত ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুজাহিদদের হামলায় বৈরুতে মার্কিন ও ফরাসি দখলদার সেনাদের সদর দপ্তর ধ্বংস হওয়ার পর এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল। ১৯৮৩ সালের ২৩ অক্টোবর আরো এক বীরত্বপূর্ণ শাহাদত-পিয়াসী হামলা চালায় প্রতিরোধ যোদ্ধারা। সন্ত্রাস-বিরোধী এই অভিযানে নিহত হয়েছিল ২৪১ মার্কিন ও ৫৮ ফরাসি দখলদার সেনা। মার্কিন সেনারা ছাড়াও বৈরুতে অনুপ্রবেশ করেছিল ফরাসি, ব্রিটিশ ও ইতালির দখলদার বাহিনী।

লেবাননের গৃহযুদ্ধে ইসরায়েলের অনুচর খ্রিস্টান ফ্যালাঞ্জিস্ট গেরিলাদের সহায়তা দেয়ার জন্যই দেশটিতে ঢুকে পড়েছিল এইসব পশ্চিমা সেনা। দক্ষিণ লেবাননে ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্ব স্থায়ী করাও ছিল পশ্চিমাদের এইসব সেনা হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য। কিন্তু মুজাহিদদের ওই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের পর আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো লেবানন থেকে তাদের সেনা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। সূত্র: পার্স টুডে, ইকনা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ