বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সাপের কামড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু চিকিৎসকদের বিসিএসে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ তেল, গ্যাস, সার, বিদ্যুতে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে চীন সফরে যাচ্ছেন ৪ এমপি সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী ব্যাংক, জামায়াতে ইসলামী কোনোটাই ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ইমামদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহর ৬ মাসের ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স সীমান্তের ৮ পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক নাগরিককে পুশইনের অপচেষ্টা বিএসএফের আমরা কেন মওদুদি সাহেবের বিরোধিতা করি-১

মিয়ানমারের সেনা সমাবেশে উদ্বিগ্ন ফখরুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিয়ামারের সেনা সমাবেশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তা মোকাবিলায় আন্ত-আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি।

আজ শুক্রবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্র নীতি আজ মিয়ানমারের কাছে স্পষ্ট। এর পরিপূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেই মূলত অযাচিত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে সীমান্তে সেনা সমাবেশ করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে মিয়ানমার। বিএনপির পক্ষ থেকে মিয়ানমারের এই সেনা সমাবেশের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে উদ্বেগ জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই ধরনের তৎপরতা রুখতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়ে আন্ত-আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগে বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, কেন আজকে এখানে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আমরা কথা বলছি। এই যে মিয়ানমার সেনা সমাবেশ করছে। আজকে ভারত-চীন সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ হলে, এটা নিয়ে তোলপাড় হতো। কিন্তু আমাদের সরকার এ নিয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আমলে যেসব চুক্তি হয়েছিল তা সামনে নিয়ে চুক্তি করা হলে, এর সমাধান হতে পারে বলে জানান মির্জা ফখরুল। বলেন, কিন্তু এই সরকারতা করছে না। সরকার করছে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা। মিয়ানমারের কাছে এই সরকার নতজানু হয়ে গেছে, তার কারণ এই সরকারের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোনো অবস্থান নেই। মিয়ানমারের ওপর যে দুটি দেশের প্রভাব সবচেয়ে বেশি, সেই চীন ও ভারত এ বিষয়ে একেবারে নেগেটিভ অবস্থানে।

ফখরুল বলেন, সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই রোহিঙ্গাদের নিজের দেশে ফেরানো সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত ও চীনের সমর্থন আদায় না করতে পারা এই সরকারের বড় ব্যর্থতা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ