শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী মালিবাগ ট্রাজেডির ২৪ বছর, বিচার না হওয়ায় ইসলামী আন্দোলনের ক্ষোভ বালাগঞ্জে বিকেএমের ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর

রিফাত হত্যা মামলা: আদালত প্রাঙ্গণে দোয়া-দরুদ পড়ছেন আসামির স্বজনরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কিছুক্ষণ মধ্যেই ঘোষণা করা হবে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায়। রায় উপলক্ষে কারাগারে থাকা এ মামলার আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। হাজির হয়েছেন জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিও।

বুধবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাব ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে আসামিদের আদালতে নিয়ে আসা হয়। এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে হাজির হন নিহত রিফাতের স্ত্রী ও এ মামলার অন্যতম আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

এ মামলার রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অন্য দিনগুলোর মতো আজ আদালতে ঢুকতে পারেননি আসামিদের স্বজনরা। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে আদালতের বাইরে দাঁড়িয়ে আসামিদের মুক্তির জন্য দোয়া-দরুদ পড়ছেন স্বজনরা।

মামলার আসামি কামরুল ইসলাম সাইমুনের বাবা মুহা. লিটন বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ। তার জন্য আদালতে সাফাই সাক্ষীও দেয়া হয়েছে। আজ তার ভাগ্য নির্ধারণ হবে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি- যাতে সাইমুন খালাস পায়। আমার ছেলে আসলেই নির্দোষ। আমি তার মুক্তির জন্য সবার দোয়া চাই।

আরেক আসামি সাগরের বাবা আবদুল হাই বলেন, আমার ছেলেও নির্দোষ। ঘটনার সময় আমার ছেলে ঘটনাস্থলে ছিল না। আদালতে ঢুকতে পারিনি। তাই বাইরে দাঁড়িয়ে ছেলের মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি। এছাড়া আর কিছুই করার নেই আমার।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এ মামলায়। মামলার ৬ নম্বর আসামি মুসা এখনও পলাতক।

১৬ সেপ্টেম্বর মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান রায়ের জন্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ