রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

বেফাকে অনিয়ম: তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার সময় বাড়লো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্দামান নওশাদ: বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড-বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবু ইউসুফের মধ্যে হওয়া ফোনালাপ ফাঁস ও চলমান অস্থিরতা, অনিয়ম এবং সংকট উত্তরণের জন্য গঠিত হওয়া ছয় সদস্যের উচ্চতর তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমাদানের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আরও এক সপ্তাহ।

আজ আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির সদস্য ও বেফাকুল মাদারিসিলি আরবিয়া বাংলাদেশ এর সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা মুহাম্মদ জুবায়ের। তিনি জানান, ‘গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমাদানের তারিখ থাকলেও এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আরও এক সপ্তাহ। আগামী বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত রিপোর্ট জমাদান করবেন।’

চলতি মাসের গত ১৬ আগস্ট (রোববার) চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় বেফাকের চেয়ারম্যান শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কার্যালয়ে এক খাস কমিটির বৈঠকে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

জানা গেছে, গঠিত হওয়া ছয় সদস্যের উচ্চতর তদন্ত কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে গত  ১৯ আগস্ট (বুধবার)। সে সময় বৈঠকে সাড়া দেয়নি তদন্ত কমিটিতে থাকা ঢাকার কোনো সদস্য। বিষয়টি আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেছিলেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাপরিচালক মাওলানা জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।

আরও জানা গেছে, সেসময় তদন্ত কমিটির আহবায়ক দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি জসিম উদ্দিন ‘বেফাকের তদন্ত কমিটির মিটিংয়ে’ এসেছিলেন হাটহাজারী থেকে। আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম বরুড়া মাদরাসার মুহতামিম মুফতি নোমান আহমদও এসেছিলেন কুমিল্লা থেকে। তবে তখন তদন্ত কমিটির সব সদস্য না থাকায় তদন্তে কোনো গতি আসেনি।

উল্লেখ্য, ‘ফোনালাপ ফাঁস: মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সম্পূর্ণ নির্দোষ: বেফাক সভাপতি আল্লামা শাহ আহমদ শফী’ এর নামে এমন একটি রহস্যময় চিঠি গনমাধ্যমে এসেছিলো। তদন্ত কমিটি গঠনের পর এ বিষয়ে বেফাকের ছাত্র-শিক্ষকদের কৌতুহল ও জানার আগ্রহ বেড়েই চলছে। তাদের প্রশ্ন নির্দোষ প্রমাণিত হলে আর তদন্তের কী প্রয়োজন? আর তদন্ত ছাড়া নির্দোষ প্রমাণিতই বা হোন কিভাবে? ধারণা করা হচ্ছে, তদন্ত শেষ না হওয়ার আগে এ রহস্যের জট খুলবেনা । তদন্ত শেষেই বলা যাবে চিঠিটি কে কিভাবে কখন কাকে দিয়ে গণমাধ্যমে ভাইরাল করেছে।

তদন্ত কমিটিতে থাকা সদস্যগন হলেন, আহবায়ক দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি জসিম উদ্দিন, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম বরুড়া মাদরাসার মুহতামিম মুফতি নোমান আহমদ, মারকাযুদ দাওয়াহ আল ইসলামিয়ার শিক্ষাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক, জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়া আলি এন্ড নূর রিয়েল স্টেট মাদরাসার ইফতা বিভাগের প্রধান মুফতি মনসুরুল হক, মিরপুর আকবর কমপ্লেক্ম মাদরাসার মুহতামিম মুফতি দেলওয়ার হোসাইন ও বেফাকের সাময়িক নিয়োগপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা মুহাম্মদ জুবায়ের।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ