মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গুমের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢাকা

টাঙ্গাইলে বাস চাপা দিয়ে চালক উধাও, একই পরিবারের চারজন নিহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: টাঙ্গাইলে বাস চাপায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা আরোহী শিক্ষক দম্পতিসহ একই পরিবারের চারজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের রাবনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের ভদ্রশিমুল দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলআমিন (৫৪), তার স্ত্রী একই স্কুলের সহকারি শিক্ষক শিউলি খাতুন (৪২), নিহত আল আমিনের বাবা সোহরাব আলী (৭৫) ও মা সালেহা বেগম (৭০)। এ দুর্ঘটনায় আল আমিনের বোন হাজেরা বেগম ও অটোরিক্সার চালক ফেরদৌস তরফদারকে গুরুতর আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, ভূঞাপুর উপজেলা সদর থেকে আল আমিন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টাঙ্গাইল শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। দুপুর ১২ টার দিকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের রাবনা মোড় থেকে শহরের দিকে ঢোকার পথে সৈকত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস অটোরিক্সাকে চাপা দেয়। আশেপাশের লোকজন সিএনজি’র চালকসহ ছয় আরোহীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে শিউলি খাতুনের মৃত্যু হয়। পরে গুরুতর আহত আল আমিন, সোহরাব আলী ও সালেহা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতির সময় তারাও মারা যান।

নিহত আল আমিনের ভাই নজরুল ইসলাম জানান, দুপুরে তার ভাইয়ের মুঠো ফোন থেকে একজন পুলিশ সদস্য জানান, দুর্ঘটনায় সবাই আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যেতে বলেন। হাসপাতালে গিয়ে তিনি সবার লাশ দেখতে পান।

নিহত আল আমিনের দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে আশা খাতুন দশম শ্রেণীতে এবং ছোট মেয়ে আখি খাতুন ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে।

হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, বাসটিকে তারা আটক করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ