সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশের সংবিধান থেকে ইসলামের শেষ চিহ্নটুকু যেন মুছে ফেলা না হয়!’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।।

মনে অনেক উদ্বেগ ও দুঃখ নিয়ে এ ক’টি কথা বলছি। ছাত্রজীবন শেষ হওয়ার পর আমি দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত দ্বীনের কাজ করছি। রাজনীতি কোনো দিন করিনি। নির্দলীয় মানবসেবা ও ঈমান-আমল, ইলম, দাওয়াত, তালীম-তরবিয়্যত ও তাযকিয়ার জগতে আছি। প্রচলিত জ্বালাও পোড়াও ও উশৃংখল আন্দোলনে বিশ্বাসী নই তবে দ্বীনের ক্ষতি হয় এমন কোন সিদ্ধান্তে নীরব থাকতে পারি না। আজ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে কথা বলতে চাই। এ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য দায়িত্বশীলদের প্রতি ঈমানদারদের প্রত্যাশার প্রতিধ্বনি।

তারা আকুল আবেদন করছেন, রাষ্ট্র ও সংবিধানে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার যেন আর ক্ষুণ্ন না হয়। মুসলমানদের যখন নিজস্ব রাষ্ট্র থাকে, যখন তারা আত্মনিয়ন্ত্রণ লাভ করেন, তখন তাদের উপর শরীয়ত সর্বাংশে পালন করা ওয়াজিব হয়ে যায়। মুসলমানদের স্বাধীনতা অর্জনের অর্থ হচ্ছে, নির্বিঘ্নে ইসলাম পালনের স্বাধীনতা।

এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ যা বলেছেন তার সারমর্ম এই- মুসলমানদের যখন আমি পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা দান করি তখন তারা সর্বাংশে নামায কায়েম করে, যাকাতের বিধান পুরোপুরি কার্যকর করে, অন্যায় অশ্লীলতা রোধ করে, সৎ কাজের আদেশ দেয় আর অসৎকর্ম প্রতিহত করে। এ হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশে মুসলমানদের স্বাধীনতা, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব কতটুকু আছে তা যথেষ্ট ভাববার বিষয়। নিজেদের স্বার্থ দেখার জন্য হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ রয়েছে।

মুসলমানদের ধর্মীয়, সাংবিধানিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষার কোন সংগঠন এদেশে আছে বলে জানি না। কারণ, প্রতিটি শাসকদলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই এদেশে ইসলামধর্মে বিশ্বাসী। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠার দিন থেকে প্রতিটি নির্বাচনের ইশতেহার পর্যন্ত চিরদিনের অঙ্গীকার, কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন তারা করবে না। সুতরাং মুসলমানদের আলাদা কোন বিশেষায়িত সংগঠনের প্রয়োজন আছে বলে তারা মনেও করেন না। শাসকদলের উপর তারা তাদের আস্থা রেখেছেন। ৯৮ ভাগ মুসলমান যেখানে রয়েছেন সেখানে ইসলাম কেন বিপন্ন হবে?

শতকরা ৯২% মুসলমানের দেশে যেকোনো বাহানায় সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস তুলে দিতে পেরে আনন্দিত হয়েছেন, বর্তমান শাসকদলের মধ্যে এমন লোকও আছেন। তারা জনগণের মতামত না নিয়েই সংবিধানে ‘সমাজতন্ত্র’ স্থাপন করেছেন যার মূল সংজ্ঞ