আওয়ার ইসলাম: দেশের এই দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে কাজ করার জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কাছে করোনা অ্যান্টিবডি কিটের অস্থায়ী নিবন্ধন চেয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সোমবার গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জি আর কোভিড-১৯ র্যাপিড ডট ব্লট কিট প্রকল্পের সমন্বয়কারী ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) আমব্রেলা গাইডলাইন অনুসরণ করে আমাদের নিজস্ব ল্যাবে অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা ফের পরীক্ষা করি। এতে সংবেদনশীলতা (সেনসিটিভিটি) ৯৭ শতাংশ এসেছে। সেটির রিপোর্ট আজ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টিবডি কিটের অস্থায়ী নিবন্ধনের জন্যেও আবেদন করেছি।
ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার বলেন, গতকাল রোববার বৈঠকে ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আমাদের কথা ইতিবাচকভাবে শুনেছেন। সেখানে সর্বাত্মক সহায়তা দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। সে অনুযায়ী আজ যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) আমব্রেলা গাইডলাইন অনুসরণ করে আমাদের নিজস্ব ল্যাবে অ্যান্টিবডি কিটের কার্যকারিতা ফের পরীক্ষা করি এবং সেই রিপোর্ট ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালকের কাছে জমা দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ওষুধ প্রশাসন কিটের উন্নত সংস্করণ বিদ্যমান সরকারি নিয়মে কনটাক্ট রিসার্চ সংগঠনের (সিআরও) মাধ্যমে আমব্রেলা গাইডলাইন অনুসরণ করে এক্সটারনাল ভ্যালিডেশন করতে বলেছে। সেই নিয়মে পরীক্ষা করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) জানাবো। তারা না করতে পারলে, তখন আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রে (আইসিডিডিআরবি) যাবো।
অ্যান্টিজেন কিটের ব্যাপারে জি আর কোভিড-১৯ র্যাপিড ডট ব্লট কিট প্রকল্পের এই সমন্বয়কারী বলেন, বর্তমানে অ্যান্টিজেন কিটের কোনো নীতিমালা নেই। আগামী ৮ জুলাই ওষুধ প্রশাসনের নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তখন তারা আমাদেরকে একটা ফরম্যাট পাঠাবে। সেই অনুযায়ী প্রটোকল আপডেট করে জমা দেয়া হবে।
-এএ