বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক লিটার তেলও বের হতে দেব না: ইরান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বেতন ও কর্মদিবস কমাল পাকিস্তান আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলায় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে’ যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য

আসছে তৃতীয় ইন্তিফাদা: ফিলিস্তিনে আবারো ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে হামাস-ফাতাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের অন্যতম উপদেষ্টা নাবিল সাথ বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল যদি ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে জবর দখল করে নেয় তাহলে তেল আবিবের বিরুদ্ধে তৃতীয় ইন্তিফাদা বা গণজাগরণ অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠবে।

ফ্রান্সের চ্যানেল-২৪ টেলিভিশনের আরবি বিভাগের সঙ্গে আলাপকালে গতকাল শনিবার নাবিল সাথ আরো বলেন, ইসরাইল যদি পশ্চিমতীরকে দখল করে তাহলে তা ঠেকানোর জন্যে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এবং ফাতাহ আন্দোলন ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার চুক্তিতে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, “যদি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পূর্ণমাত্রায় ইন্তিফাদা শুরু হয়ে যায় তাহলে আমরা হামাস এবং গাজার সমন্বিত লড়াই দেখব।”

নাবিল সাথ বলেন, তিনি আশা করছেন ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য তৃতীয় ইন্তিফাদায় আরব দেশগুলো অর্থ যোগান দেবে।

এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এবং প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ আন্দোলন ইহুদিবাদী ইসরাইলের ভূমি দখল পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। গত বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের কার্যত রাজধানী রামাল্লাহ শহরে অনুষ্ঠিত এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দু দল এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।

ফাতাহ আন্দোলনের মহাসচিব জিবরিল রাজুব বলেন, “আমরা শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, ইহুদিবাদী ইরাইলের পক্ষ থেকে আসা এই চ্যালেঞ্জকে হামাসের সঙ্গে মিলেমিশে মোকাবেলা করবো।” তিনি আরো বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের এই ভূমিদখল পরিকল্পনা রুখে দিতে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য সবধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

রাজুব বলেন, “আজকে আমরা ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠে কথা বলতে চাই এবং এ সিদ্ধান্ত আমাদের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস অনুমোদন করেছেন।”

১৯৮৭ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত প্রথম ইন্তিফাদা চলে। দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরু হয় ২০০০ সালে এবং ২০০৫ সাল পর্যন্ত তা স্থায়ী ছিল। এ সময়ে অন্তত ৩২০০ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং ইসরাইলের এক হাজার মানুষ মারা গেছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ