মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সাবধানে থাকার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন নভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সোমবার রাতে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করা দরকার। যত দ্রুত সম্ভব বেশি সংখ্যক পরীক্ষা করে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করে আইসোলেশনে রাখতে হবে।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, গতকাল (রোববার) আমার জ্বর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করিয়েছি। আমার পজিটিভ এসেছে। এতে করে আমার দ্বারা নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত হবে না। যদি দু-তিন দিন পরে পরীক্ষা করতাম তাহলে এর মধ্যে অনেকেই আক্রান্ত হয়ে যেত। তাই আমি বলব, যত বেশি সংখ্যক সম্ভব দ্রুত পরীক্ষা করা দরকার।

তিনি বলেন, হাসপাতালে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি, সুস্থ আছি। আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকব। দেশবাসীকে বলব, তারা যেন সাবধানে থাকে।

এর আগে রোববার বিকেলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত এন্টিজেন কিট দিয়ে পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হন তিনি।

প্রসঙ্গত, খ্যাতিমান চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধা জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নামক স্বাস্থ্য বিষয়ক এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮২ সালে প্রবর্তিত বাংলাদেশের ‘জাতীয় ঔষধ নীতি’ ঘোষণার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে জন্ম নেয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বাবার শিক্ষক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন। দশ ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ঢাকার বকশীবাজারের নবকুমার স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট উত্তীর্ণের পর তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর ১৯৬৭ সালে ব্রিটেনের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এফআরসিএসের চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করে লন্ডন থেকে ভারতে ফিরে এসে যুদ্ধে অংশ নেন। আগরতলার মেলাঘরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গেরিলা প্রশিক্ষণ নেন এবং এরপরে ডা. এম এ মবিনের সাথে মিলে সেখানেই ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন।

তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক নারীকে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দিতেন এবং তাদের দিয়ে রোগীদের সেবা করতেন। তার এই অভূতপূর্ব সেবাপদ্ধতি পরে বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল পেপার 'ল্যানসেট'-এ প্রকাশিত হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ