বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতে প্রতিবেদন পাঠাল মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের রাখাইনে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের গণহত্যা থেকে রক্ষায় কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার একটি বিশদ প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক আদালতে পাঠিয়েছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগ এনে দেশটির বিরুদ্ধে গত নভেম্বর হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা করেছিল আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।

ডিসেম্বরে গাম্বিয়া এবং মিয়ানমার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তিন দিনের শুনানি শেষে আদালত কয়েকটি অস্থায়ী আদেশ দেন।

সেই আদেশ অনুসারে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা থেকে রক্ষায় ও তাদের নিরাপত্তায় মিয়ানমার কী পদক্ষেপ নিল তার একটি প্রতিবেদন আইসিজের কাছে পাঠিয়েছে দেশটির সরকার। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ‘নির্মূল অভিযানের’ শিকার হয়ে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। হত্যা, গণধর্ষণ, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয় এই মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠী।

যদিও আদালতে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। এদিকে মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানায়, শনিবার (২৩ মে) জমা দেয়া এ প্রতিবেদনটি এপ্রিলে দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের কার্যালয়ের তিনটি নির্দেশনার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

তবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে কি না এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র জানায়, ওই তিন নির্দেশনার মধ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং রাখাইনের আঞ্চলিক প্রশাসনকে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার নিদর্শন নষ্ট না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। সেই সঙ্গে গণহত্যা রোধে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান ও ঘৃণা ছড়ানো থেকেও বিরত থাকতে হবে।

যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বেসডর-অ্যাট-লার্জ ডেভিড শেফার জানান, এই প্রতিবেদন পাঠানোর আগেই মিয়ানমার বলেছিল যে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার কেবল একটি আন্তর্জাতিক আদেশ মেনে চলছে শুধু এটি দেখলেই হবে না বিশ্বকে, তারা এটি সততার সঙ্গে করছে কিনা এবং প্রতারণা বা অবহেলা ছাড়াই এটি করেছে সেটিও জানা উচিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ