শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইসলামিক ল' রিসার্চ সেন্টারের ২৭তম এজিএম অনুষ্ঠিত শাপলার চেতনা আগামীর বাংলাদেশের মাইলফলক: ইবনে শাইখুল হাদিস ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের আমরণ অনশনের ঘোষণা ‘নুরের ওপর হামলায় দেশের নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে ’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল জুলাই আন্দোলনের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে : খেলাফত মহাসচিব ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে: ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নববি মানস গঠনে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি: মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধের দাবি রাশেদের তুরস্কে পালিত হলো ১০৩তম বিজয় দিবস, আতাতুর্কের সমাধিতে এরদোয়ানের শ্রদ্ধা

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে ইউরোপ-আমেরিকার প্রতি আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে ইউরোপ-আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের পক্ষে আর বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়।

শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বড় বড় মাতব্বররা সব সময় আমাদের উপদেশ দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে। অথচ চাইলে তারা কিছু রোহিঙ্গা নিতে পারেন। কিন্তু তারা নেন না। তাদের উদ্দেশে বলি, আপনার যদি এত দরদ থাকে, তাহলে রোহিঙ্গাদের নিজেদের দেশে নিয়ে যান। কোনো অসুবিধা নাই। আমরা কাউকে আটকাব না।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার অনুরােধ জানিয়ে সম্প্রতি ইউরোপের একজন রাষ্ট্রদূত আমার কাছে আসেন। তখন আমি তাকে বললাম, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ডলার এবং প্রতি বর্গমাইলে ১২০০ লোক থাকেন। আর আপনার দেশের মাথাপিছু আয় ৫৬ হাজার ডলার এবং প্রতি বর্গমাইলে মাত্র ১৫ জন লোক থাকেন। আপনারা কিছু রোহিঙ্গা নিলে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, আন্দামান সাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে কোনো ঝামেলা হলেই সবাই শুধু বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকে। ভাবখানা এমন যে, বাংলাদেশ যেহেতু আগে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, তাই বাকিদেরও দিতে পারবে। দুনিয়ার যেখানেই রোহিঙ্গা সমস্যা হোক, সাহায্য বাংলাদেশকেই করতে হবে।

‘আমরা আগেই বলেছি, আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারব না। আমাদের এখানে আর কোনো জায়গা নেই। তাছাড়া তাদের ব্যাপারে অন্যদেরও রেসপনসিবিলিটি আছে। কারণ রোহিঙ্গা সমস্যা কেবল আমাদের একার নয়, এটা বৈশ্বিক সমস্যা, যোগ করেন ড. এ কে আবদুল মোমেন।'

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ