বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনে আশা দেখাচ্ছে করোনা: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) জলবায়ু পরিবর্তনে আশার আলো দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) ৭৬তম অধিবেশনে ভিডিও বার্তায় পাঠানো ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গোটা বিশ্ব এক অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। একদিকে যেমন স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতি। তবে এর মধ্যেও ভালো খবর এই, ভাইরাসটি জলবায়ু পরিবর্তনে কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এই মহামারি মোকাবেলা করতে হবে।

প্রথমবারের মতো ভার্চুয়ালভাবে অনুষ্ঠিত হয় এই অধিবেশন। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অধিবেশনটিতে মূল বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে এটি ভার্চুয়ালভাবে হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণ ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। এবারের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য মহাসাগরে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সহযোগিতা প্রচার’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাষণে এসক্যাপের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে তিনটি মৌলিক দিক তুলে ধরেন।

প্রথমত, জলবায়ুর বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবুজ অর্থনীতির উন্নত দেশগুলো থেকে জ্ঞান-দক্ষতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর। দ্বিতীয়ত, অপরিকল্পিত ফিশিং প্রতিরোধ করে পরিকল্পিতভাবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে এবং এ নিয়ে যৌথ গবেষণার ব্যবস্থা করতে হবে। তৃতীয়ত, জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় শক্তিশালী নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহাসাগর ও সমুদ্র মানুষের কর্মসংস্থান ও দারিদ্র দূরীকরণে এক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। কিন্তু পরিবেশ দূষণ এই সম্পদের টেকসই ব্যবহারে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারের জন্য বিশ্ব অর্থনীতির একীভূত প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ