বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কিট আটকে আছে: জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা পরীক্ষার কিট এখনো অনুমোদন পায়নি জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, এগুলো এখনো বিএসএমএমইউতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। তবে শিগগিরই অনুমোদন পাবে বলে আশা করছি।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা নির্ণায়ক জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট র‍্যাপিড টেস্টিং কিট এখনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বিএসএমএমইউতে আটকে আছে।

শঙ্কা প্রকাশ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে গবেষক বিজন কুমার শীল উদ্ভাবিত এই কিটের কৃতিত্ব অন্য দেশ নিয়ে নিতে পারে। তখন আর এই কিটের সেবা বাংলাদেশ পাবে না।

বর্তমানে দেশে একদিনে ৪৫টি সেন্টারে ৮ হাজার করােনা টেস্ট করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের অনুমোদন দিলে এক দিনে ৫০ হাজার টেস্ট করা যাবে। এতে খরচ কম ও প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হবে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, পিসিআর যেটা করতে পারে, তাদের কিট সেটা করতে পারে কি না, সেটা যাচাই করে দেখা উচিত। যদি তাদের কিটের সঙ্গে পিসিআর পদ্ধতির ম্যাচিং হয়, তাহলে তা দ্রুত জানিয়ে দিলে ভালো হবে। আশা করছি দ্রুতই এই কিট বিএসএমএমইউর ট্রায়ালে পাস করবে।

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, এই কিটের উৎপাদন আরো ব্যাপক আকারে করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ৫০ কোটি টাকা দিন। পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিকতা জটিলতা বাদে কোনো একটি ব্যাংককে টাকাগুলো দেয়ার জন্য বলে দিন। এমনটা হলে প্রতি মাসে ১ কোটি কিট তৈরি করা সম্ভব।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ