বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য ‘দলীয় স্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছানো একটি ফ্যাসিবাদী প্রবণতা’ হবিগঞ্জ ইকরা শিশুদের যুদ্ধবিরোধী অভিনব প্রতিবাদ ঢাকা-১৩সহ ৫ আসনের ব্যালট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের সরকার জাতিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভুলিয়ে দিতে চায়: আমিরে মজলিস ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত দুবাই বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪  ‘একটি প্রাণবন্ত সংসদ চাই, আলোচনায় সব সমস্যার সমাধান’

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কিট আটকে আছে: জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা পরীক্ষার কিট এখনো অনুমোদন পায়নি জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, এগুলো এখনো বিএসএমএমইউতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। তবে শিগগিরই অনুমোদন পাবে বলে আশা করছি।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা নির্ণায়ক জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট র‍্যাপিড টেস্টিং কিট এখনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বিএসএমএমইউতে আটকে আছে।

শঙ্কা প্রকাশ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে গবেষক বিজন কুমার শীল উদ্ভাবিত এই কিটের কৃতিত্ব অন্য দেশ নিয়ে নিতে পারে। তখন আর এই কিটের সেবা বাংলাদেশ পাবে না।

বর্তমানে দেশে একদিনে ৪৫টি সেন্টারে ৮ হাজার করােনা টেস্ট করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের অনুমোদন দিলে এক দিনে ৫০ হাজার টেস্ট করা যাবে। এতে খরচ কম ও প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হবে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, পিসিআর যেটা করতে পারে, তাদের কিট সেটা করতে পারে কি না, সেটা যাচাই করে দেখা উচিত। যদি তাদের কিটের সঙ্গে পিসিআর পদ্ধতির ম্যাচিং হয়, তাহলে তা দ্রুত জানিয়ে দিলে ভালো হবে। আশা করছি দ্রুতই এই কিট বিএসএমএমইউর ট্রায়ালে পাস করবে।

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, এই কিটের উৎপাদন আরো ব্যাপক আকারে করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ৫০ কোটি টাকা দিন। পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিকতা জটিলতা বাদে কোনো একটি ব্যাংককে টাকাগুলো দেয়ার জন্য বলে দিন। এমনটা হলে প্রতি মাসে ১ কোটি কিট তৈরি করা সম্ভব।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ