রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কিট আটকে আছে: জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা পরীক্ষার কিট এখনো অনুমোদন পায়নি জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, এগুলো এখনো বিএসএমএমইউতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। তবে শিগগিরই অনুমোদন পাবে বলে আশা করছি।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত করোনা নির্ণায়ক জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট র‍্যাপিড টেস্টিং কিট এখনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বিএসএমএমইউতে আটকে আছে।

শঙ্কা প্রকাশ করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে গবেষক বিজন কুমার শীল উদ্ভাবিত এই কিটের কৃতিত্ব অন্য দেশ নিয়ে নিতে পারে। তখন আর এই কিটের সেবা বাংলাদেশ পাবে না।

বর্তমানে দেশে একদিনে ৪৫টি সেন্টারে ৮ হাজার করােনা টেস্ট করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের অনুমোদন দিলে এক দিনে ৫০ হাজার টেস্ট করা যাবে। এতে খরচ কম ও প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হবে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, পিসিআর যেটা করতে পারে, তাদের কিট সেটা করতে পারে কি না, সেটা যাচাই করে দেখা উচিত। যদি তাদের কিটের সঙ্গে পিসিআর পদ্ধতির ম্যাচিং হয়, তাহলে তা দ্রুত জানিয়ে দিলে ভালো হবে। আশা করছি দ্রুতই এই কিট বিএসএমএমইউর ট্রায়ালে পাস করবে।

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, এই কিটের উৎপাদন আরো ব্যাপক আকারে করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ৫০ কোটি টাকা দিন। পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিকতা জটিলতা বাদে কোনো একটি ব্যাংককে টাকাগুলো দেয়ার জন্য বলে দিন। এমনটা হলে প্রতি মাসে ১ কোটি কিট তৈরি করা সম্ভব।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ