আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের উপকূলের দিকে অতিপ্রবল বেগে ধেয়ে আসা সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাব ইতোমধ্যে সাতক্ষীরাসহ দেশের কয়েকটি উপকূলীয় জেলায় পড়তে শুরু করেছে। তাই আজ রাতের মধ্যেই সবাইকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে। পাশাপাশি আগামীকাল বুধবার সকাল ৬টায় মহাবিপদ সংকেত জারি করা হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুহা. এনামুর রহমান।
তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলোতে প্রায় ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষ থাকতে পারবে। তবে বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আপাতত ২০-২২ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার, কক্সবাজার বন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। বাতাসে এটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৪৫ কিলোমিটার। যার কারণে এটাকে সুপার সাইক্লোন বলা হচ্ছে।
ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে উপকূলে যারা ঝুঁকিপূর্ণ ঘরবাড়িতে বসবাস করছেন তাদের সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা হবে। অবশ্য গতকাল থেকেই এই কাজটি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেককেই সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা হয়েছে। বাকিদের আজ রাতের মধ্যেই নিয়ে আসা হবে।
-এএ